নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাংবিধানিক প্রধান কে সম্মান দিচ্ছে না রাজ্য সরকার! ফের অভিযোগ রাজ্যপালের। বাংলার আইনশৃঙ্খলা নেই! সময় বেঁধে দিয়ে মুখ্যসচিবের জবাব তলব করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। গতকাল শনিবার দুপুর ২ টোর মধ্যে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জবাব চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে এবিষয়ে কোন জবাব দেননি রাজ্যের মুখ্যসচিব। তাতেই ক্ষুব্ধ ধনকর।
আরও পড়ুনঃ সৌমিত্র বাবুর শরীরে কনভালসেন্ট প্লাজমা থেরাপির পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।


মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুপুর ২টোর মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। শনিবার সেই সময়ের মধ্যে জবাব না আসায় রাত ৯ টায় ফের ট্যুইট করেন রাজ্যপাল। তিনি টুইটে লেখেন, দুর্ভাগ্যজনক! জবাব চেয়েও মুখ্যসচিবের তরফে উত্তর পাওয়া যায় না। তিনি পূর্বতন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহার প্রসঙ্গ তুলে ট্যুইটে লেখেন, গত আগস্ট মাসে পদে থাকাকালীন জবাব চেয়েও তা পাওয়া যায়নি।
সাংবিধানিক প্রধান কে সম্মান দিচ্ছে না রাজ্য সরকার! রাজ্যপাল আরও লেখেন, আশা করছি আপনি আপনার জবাব না দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেখবেন। এবং সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার এবং রাজ্যপালের সংঘাত নতুন কোন ঘটনা নয়। গত শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর শিলিগুরিতে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের আইনশৃক্ষলা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন রাজ্য জঙ্গি ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে।
পুলিশ ও প্রশাসন রাজনৈতিক দলের দাস হলে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ে। প্রতিবার রাজ্যে যেভাবে নির্বাচন হয় এবার তা হবে না। কেন্দ্রকে রাজ্যের তরফে অপরাধ সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। এমন আচরণের ফল আধিকারিকরা জানেন এবং তাঁদের ভুগতে হবে।” রাজ্যে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি একটি ট্যুইট করেন। সেই ট্যুইট তিনি ট্যাগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং কলকাতা পুলিশ কে।


এমনিতেই রাজ্যের সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত লেগেই রয়েছে। তারই মাঝে উত্তরবঙ্গে ‘রাজ্যপাল পঙ্গপাল’ লেখা পোস্টার নিয়ে নতুন করে অশান্তি মাথাচাড়া দিয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল গতকাল বলেন, “রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ‘অ্যালার্মিং’। রাজ্য জঙ্গি ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসন রাজনৈতিক দলের দাস হলে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ে। প্রতিবার রাজ্যে যেভাবে নির্বাচন হয় এবার তা হবে না। কেন্দ্রকে রাজ্যের তরফে অপরাধ সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। এমন আচরণের ফল আধিকারিকরা জানেন এবং তাঁদের ভুগতে হবে।”







