নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার কাণ্ডে গতকালই গ্রেপ্তার হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর পরে এত তাড়াতাড়ি আরো এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেপ্তারে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়।
আরও পড়ুনঃ ED কেন তদন্ত করবে? সম্পত্তি বৃদ্ধি মামলায় হাইকোর্টে আবেদন ববি-বালুদের।


অপরদিকে অনুব্রত মণ্ডল গ্রেপ্তার হয়েছেন গরু পাচার দুর্নীতির মামলায়। ফলে এই দুই দুর্নীতির টানাপোড়নের মাঝে শাসকদলের এখন নাভিশ্বাস উঠেছে। গতকাল গ্রেপ্তারের পর গভীর রাতে বীরভূম থেকে অনুব্রত কে নিয়ে আসা হয় নিজাম প্লেসে। আর সেখানেই শুরু হয় জেরা পর্ব। অন্যদিকে অনুব্রত গ্রেফতার হবার পরেই থমথমে গোটা বোলপুর।

তৃণমূলের পার্টি অফিসের সেভাবে কোন লোকের আনাগোনা ছিল না । কিন্তু অভিযোগ পার্টি অফিসের লোকেরা আনাগোনা না থাকলেও রাখি পূর্ণিমার দিন ছুটি থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতে নাকি আলো জ্বলছিল বীরভূমের জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর এর অফিসে। প্রশ্ন উঠেছে ছুটির দিনে এত রাতে সরকারি অফিসে লাইট জ্বলছিল কেন।



বিশেষ করে যেখানে গতকালই গ্রেপ্তার করা হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল কে। এই ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ, এত দিন অনুব্রতের পরিচালনা এবং নির্দেশে প্রশাসনিক স্তরে যত বেনিয়ম কাজ হয়েছে, তার প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে। এবং তাতে যুক্ত হয়েছেন প্রশাসনেরই বড় অংশ।

থমথমে বোলপুরে ছুটির দিনে রাতে খোলা সরকারী অফিস! প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ বিরোধীদের
যদিও এই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দফতরের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে নারাজ জেলা তৃণমূল নেতৃত্বও। সব মিলিয়ে কেষ্টর গ্রেফতারের পরে অনেকে এখন নিজের মুখ বাঁচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে মনে করছেন বিরোধী দলের নেতা থেকে কর্মীরা।
(ছবি আনন্দবাজার পত্রিকা)







