নজরবন্দি ব্যুরোঃ বছর ঘুরলেই ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন। গতবারের পুরভোটে সেভাবে নজর না কাড়লেও, বিধানসভা নির্বাচনে নজির গড়তে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তার আগে বুধবার দলনেত্রীর উপস্থিতিতে একাধিক তাবড় নেতারা তুলে নিলেন তৃণমূলের পতাকা। নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের বিরাট ধাক্কা। এদিন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন তেজেন দাস,অনন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিমল রুদ্র পাল, পুর্নিতা চাকমারা।
আরও পড়ুনঃ দিল্লির পর বাংলা সাফাই অভিযানে কেজরিওয়ালের দল, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিরাট তোরজোড়
বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই দলবদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে উপস্থিতিতে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন তারা৷ যদিও রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ত্রিপুরায় বিজেপি, বাম, কংগ্রেস সহ আঞ্চলিক দলগুলির রাজনৈতিক সমীকরণের মাঝে তৃণমূল কতটা জায়গা করতে পারবে? তা প্রশ্নাতিত।

প্রসঙ্গত, বাংলার পর তৃণমূলের পাখির চোখ ত্রিপুরা। বাংলাভাষী রাজ্যে জোড়া ফুলের বিস্তারে ময়দানে নেমেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরায় সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুস্মিতা দেবরা৷ তাঁদের ওপর ভরসা করেই নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চায় তৃণমূল। কিন্তু ত্রিপুরায় রাজনৈতিক সমীকরণ বেশ কঠিন৷ রাজনৈতিক মহলের ব্যাখা, ত্রিপুরায় মুখোমুখি লড়াই ক্ষমতাসীন বিজেপি বনাম বিরোধী পক্ষ বামেদের।
নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের বিরাট ধাক্কা, শক্তি বাড়াল তৃণমূল
বিপ্লব দেববর্মার আমলে অভিযোগের পাহাড় কাটিয়ে উঠতে মানিক সাহাকে পদে বসিয়েছে গেরুয়া শিবির৷ অন্যদিকে, গত পাঁচ বছরে বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগকে হাতিয়ার করে ময়দানে নামছে বামেরা। পাশাপাশি, বিজেপি থেকে ঘরওয়াপসি হওয়া সুদীপের হাত ধরে বড় চমক দিতে চাইছে কংগ্রেস। আগামী বছর ককবরকের মাটিতে কে বাজিমাত করতে পারে? তাকিয়ে রাজনৈতিক মহলে।



