নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলায় নেই নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক দল, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তৃনমূলের মাথায় দুর্নীতির বোঝা, অন্যদিকে বিজেপি বাংলার সংস্কৃতির জন্য উপযুক্ত কিনা তা নিয়ে বারবার উঠেছে প্রশ্নচিহ্ন। বাম-কংগ্রেসের ঢেউ স্তিমিত হয়ে এসেছে। সঠিক বিকল্প রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়ে পরেছে এই রাজ্যে। আর এই মুহূর্তে আশার বীজ বুনছে আপ। দিল্লির পুরোভোটে বিজেপিকে ধুয়ে মুছে ফেলার পর পশ্চিমবঙ্গের দিকে হাত শক্ত করছে আম আদমি পার্টি।এখন অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী কেজরিওয়ালের দল। ধীরে ধীরে পশ্চিমবঙ্গেও মাথা চাড়া দিচ্ছে তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ নিয়োগ দুর্নীতি থেকে ছেলে বউকে রেহাই দেওয়া হোক, আদালতে হাউহাউ করে কাঁদলেন মানিক



ব্লক-ভিত্তিক সংগঠনে জোর দিতে চাইছেন তাঁরা। মূলত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মতো ইস্যুগুলোকে সামনে আনতে চাইছে কেজরীওয়ালের দল। রাজ্যে দুর্নীতি বড় ইস্যু হলেও মূল্যবৃদ্ধির চাপে সাধারণ মানুষ জর্জরিত। অথচ রাজনৈতিক দলগুলির তা নিয়ে কোনও আন্দোলন বা বক্তব্য নেই। তাই তাঁরা দ্রব্য মূল্যবদ্ধির মতো ইস্যুগুলোতেই জোর দিতে চাইছেন পঞ্চায়েত ভোটে। পঞ্জাবে ক্ষমতা দখলের পর আম আদমি পার্টির তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, তারা এবার পশ্চিমবঙ্গেও সংগঠন বাড়াবে। ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোট তাদের লক্ষ্য। এবার দিল্লির জয় আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলল তাঁদের। তবে কী বাংলাও পাবে একটি নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক দল? পঞ্চায়েত ভোটে কীভাবে সংগঠন মজবুত করবেন তাঁরা?
দিল্লির পর বাংলা সাফাই অভিযানে কেজরিওয়ালের দল, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিরাট তোরজোড়
পাখির চোখ পঞ্চায়েত ভোট। তাই জেলায় জেলায় সংগঠন বাড়ানোর কাজ চলছে। ১৬ জেলায় আগে থেকেই জেলা কমিটি ছিল। সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর জন্য ১২ জেলায় নতুন কমিটি গড়া হয়েছে। লক্ষ্য সব জেলায় কমিটি গড়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। উত্তর ২৪ পরগনাতে সাধারণ মানুষের সাড়া মিলেছে। সবথেকে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দারা। বিশেষ করে, কোচবিহার, মালদা, উত্তর দিনাজপুর সংগঠনের কাজ দ্রুত গতিতে বাড়ছে। জঙ্গলমহলে এখনও সেই অর্থে দাগ কাটতে না পারলেও ঝাড়গ্রামের একাংশ আম আদমি পার্টির কাজকর্মে আগ্রহ দেখিয়েছেন। সূত্রের খবর, এখন বিজেপি থেকে তৃণমূল-সিপি(আই)এম নয়, এবার পদ্ম শিবিরের ভাঙন ধরিয়ে ঝাড়ু হাতে তুলে নিচ্ছেন বহু দিনের পোড় খাওয়া নেতারা।









