এই পরাজয়ের পর, কেজরীবাল এবং তাঁর দল আম আদমি পার্টি ২০২৫ সালের নির্বাচনে কীভাবে নিজেদের অবস্থান পুনরুদ্ধার করবে তা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এবার দিল্লির রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আসবে এবং বিজেপি ও কংগ্রেসের মোকাবিলা করতে আম আদমি পার্টি কতটা সফল হবে, তা দেখার বিষয়।
কিন্তু এবারে সেই আসনে তাঁর বিপর্যয় হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে আম আদমি পার্টি ২০১৫ এবং ২০২০ সালের নির্বাচনে বড় জয় পায়, কিন্তু ২০২৫ সালের নির্বাচনে বিজেপি ফের একবার দিল্লির ক্ষমতা দখল করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষকে কেজরিওয়ালের স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখার নির্দেশ জারি করতে বলে মুখ্য সচিবকে একটি চিঠি লেখেন। এরপর সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই এরূপ অভিযোগ জানিয়েছে আম আদমি পার্টি। যদিও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অভিযোগ ছিল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ইনসুলিনের ডোজ নিচ্ছেন না। ফলে এ বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে তাঁর ওপর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেন এল জি সাক্সেনা।
তিহাড় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সুস্থ রয়েছেন। শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য সেন্সর বসানো হয়েছে। সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেওয়া হয়েছে লজেন্স। পাশাপাশি কেজরিওয়ালের জন্য দু বেলা অর্থাৎ দিনে ও রাতে বাড়ি থেকে খাবার পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
দিল্লিতে লোকসভা আসন ৭ টি। জানা গিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে চারটি আসনে প্রার্থী দেবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল আপ। বাকি তিনটি লোকসভা আসনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। সাংসদ মুকুল ওয়াসনিক এই ঘোষণা করেন।
নীতীশ কুমার ফের ফিরে গিয়েছেন এনডিএ জোটে। এরইমধ্যে আরও এক রাজ্যে ভোটে একা লড়াই করার কথা ঘোষণা করলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (AAP Supremo Arvind Kejriwal)। আহলে কি জোট থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন কেজরিওয়াল?