Manik Bhattacharya: নিয়োগ দুর্নীতি থেকে ছেলে বউকে রেহাই দেওয়া হোক, আদালতে হাউহাউ করে কাঁদলেন মানিক

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্ফোরক অভিযোগ। কয়েক কোটির আর্থিক তছরূপের দায়ভার মাথায় নিয়ে জেলে কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। এই ভয়ানক অপরাধবোধের বোঝা নিয়েও আদালত চত্ত্বরে হাউ হাউ করে কাঁদছেন পিতা মানিক ভট্টাচার্য। শুনানি শেষ হওয়ার পর বাইরে বেরিয়েই কাতর আর্জি, ”আমাকে মেরে ফেলো, কিন্তু আমার স্ত্রী আর ছেলেকে জড়িয়ো না”। একেই বলে অপত্য স্নেহ। নিয়োগ দুর্নীতির চার্জশিটে তাঁর স্ত্রী-পুত্রের নাম আছে জেনে ভেঙে পড়লেন তৃণমূলের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুনঃ বৃহস্পতিবারেই সুকান্ত নিয়ে জরুরী বৈঠকে শাহ, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে হাইকম্যান্ড

বুধবার আদালতে হাজিরা ছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তৃণমূলের বিধায়ক মানিকের। বুধবারই তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিটও পেশ করে ইডি। আদালতের নির্দেশ ছিল ৬০ দিনের মধ্যে মানিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করতে হবে। ৫৯ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করল তদন্তকারী সংস্থা। ১৬০ পাতার চার্জশিটের সঙ্গে ৬০০০ পাতার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। যা আনতে নিয়ে আসা হয়েছিল বিশালাকার ট্রাঙ্ক। সূত্রের খবর, আগের অভিযোগগুলি ছাড়াও ইডির চার্জশিটে মানিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নতুন অভিযোগ রয়েছে। রয়েছে স্ত্রী- পুত্রের নাম। তাঁদের ব্যঙ্ক আকাউন্টে রয়েছে আরও কোটি কোটি অর্থ। কিন্তু সেটা শুনেই ভেঙে পরেছেন মানিক। নিজের যা হয় হোক, স্ত্রী-পুত্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মানিক।

নিয়োগ দুর্নীতি থেকে ছেলে বউকে রেহাই দেওয়া হোক, আদালতে হাউহাউ করে কাঁদলেন মানিক
নিয়োগ দুর্নীতি থেকে ছেলে বউকে রেহাই দেওয়া হোক, আদালতে হাউহাউ করে কাঁদলেন মানিক

এর আগে মানিকের বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য জোগাড় করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নিয়োগ থেকে শুরু করে, কলেজের অনুমোদন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নিতেন মানিক। এমনকি মানিকের ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কলেজের মানোয়ন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে অফলাইন ভর্তির নামেও যে টাকা নেওয়া হত, সেবিষয়েও উল্লেখ রয়েছে। ৪৪ নম্বর ধারা মেনেই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ দুর্নীতি থেকে ছেলে বউকে রেহাই দেওয়া হোক, আদালতে হাউহাউ করে কাঁদলেন মানিক

manik bhattacharya 1

একইসঙ্গে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাপস মণ্ডল সহ একাধিক জনের বয়ান তুলে ধরা হচ্ছে। একইসঙ্গে পার্থ ও মানিক কীভাবে একসঙ্গে দুর্নীতিকে প্রশয় দিয়েছেন, সেটাই তুলে ধরা হচ্ছে। একইসঙ্গে ইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মাস্টারমাইন্ড হলে কিংপিন ছিলেন মানিক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত