নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনুব্রত মন্ডল এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারিতে বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে তৃণমূল। পার্থ গ্রেফতার হওয়ার ৫ দিনের মাথায় দলের যাবতীয় দায়িত্ব থেকে তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছিল তৃণমূল। কেড়ে নেওয়া হয়েছিল মন্ত্রীপদ। কিন্তু অনুব্রত মন্ডলের বেলায় তেমনটা হয়নি। মমতা বন্দোপাধ্যায় স্বয়ং প্রকাশ্য সভায় অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এদিকে স্বচ্ছতার পথে হাঁটার সওয়াল করেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ সিবিআই নয়, বিশ্বস্ত এজেন্সি ইডি, নিজের অবস্থানে অটুট দিলীপ



গতকালই জানা গিয়েছে আগস্ট মাস শেষ হওার আগেই দলের কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন করতে চলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই দলের নয়া ব্লক সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। তালিকাও প্রকাশ করা হবে খুব দ্রুত। তারপরেই নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের সর্বস্তরের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। দেওয়া হয়ে আগামীদিনের লড়াইয়ের বার্তা।



তবে এরই মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী সংগঠনেও আমূল সংস্কার করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জমানার যাবতীয় ফেডারেশনের নেতাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। পার্থের বিকল্প হিসাবে কোনও বড় নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি, সংগঠনের আপাদমস্তক বদলে ফেলতে চাইছেন নেতারা। এ ক্ষেত্রে পার্থের জমানায় ফেডারেশনের উচ্চ পদে থাকা নেতাদেরও অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সম্প্রতি ফেডারেশনের দায়িত্বে থাকা এক নেতা নিজেই সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।
স্বচ্ছতার বার্তা সরকারি সংগঠনে, পার্থর জমানার ফেডারেশনের নেতাদের সরাচ্ছে তৃণমূল।

ফেডারেশনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, পার্থের জমানায় ফেডারেশনে ওই নেতার বেশ বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল। যা নিয়ে ফেডারেশনের অন্দরে ক্ষোভ তৈরি হয়। কিন্তু প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রীর সমর্থন নিয়ে ওই সমস্ত নেতা সরকারি কর্মচারীদের ওপর ছড়ি ঘোরাতেন বলেই অভিযোগ। সেই কারণেই পার্থ-ঘনিষ্ঠ নেতাদের সাংগঠনিক পদ থেকে সরানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।







