নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইস্টবেঙ্গলের অচল অবস্থা মেটাতে অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি দিলেন সমর্থকরা। বিগত চার-পাঁচ মাস ধরেই ইনভেস্টার সমস্যা নিয়ে জর্জরিত ইস্টবেঙ্গল। যারফলে এখনও ধোঁয়াশ এ লাল-হলুদ এর ভবিষ্যৎ। ক্লাব কর্তাদের দাবি, এর আগে যে টার্মশিট পাঠানো হয়াছিল শ্রী সিমেন্ট এর তরফ থেকে তার সঙ্গে কোন মিল নেই ইনভেস্টারের মুল চুক্তি পত্রে, যারফলে সেই চুক্তি পত্রে সই করতে সমর্থ হচ্ছেন না তাঁরা। কিন্তু অপরদিকে শ্রী সিমেন্টের তরফ থেকে বলা হছে , টার্মশিট এর সঙ্গে চুক্তি পত্রের কোন রকম এর ফারাক রাখেনি তাদের ম্যানেজমেন্ট।

বর্তমানে যত সময় এগোচ্ছে তত আইএসএলএ অনিশ্চিত হয়ে উঠছে লাল-হলুদ এর ভবিষ্যৎ, তাই কিছুদিন আগে প্রিয় দল এর ভবিষ্যৎ জানতে ও পুরনো ক্লাব কর্তাদের পদত্যাগ এর দাবিতে ক্লডিআস সরনি তে জমায়েত করেছিল বহু সমর্থকরা। কিন্তু লাভ এর লাভ কিছুই হয়নি, বরং পুলিশদের হাতে নিগ্রহের শিকার হতে হয়ে ছিল সমর্থকদের। যারফলে, নিন্দার ঝর বয়ে গিয়ে ছিল গোটা দেশ এর ফুটবল মহলে। সেইসঙ্গে নড়ে চরে বসতে বাধ্য হয়াছিল খোদ এফএস ডিএল।


আরও পড়ুনঃ তালিবানদের ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া আফগান নাগরিক, উড়ন্ত বিমান থেকে পড়ে গেল দুজন
এরপরই নেতাজী ইনডোরের ফুটবল বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে ইস্টবেঙ্গল এর প্রতিনিধিদের উদ্দেশে মমতা ব্যানার্জি বলেন, ” ইস্টবেঙ্গল এর মন টা কি খারাপ খারাপ ?, কে কে আছে ইস্টবেঙ্গলের, চিন্তা নেই হয়ে যাবে। আমি চাই ইস্টবেঙ্গল ও আইএসএল খেলুক।”



মুখ্যমন্ত্রী র এই বার্তা পেয়ে কিছুটা হলে ও আশ্বস্ত হয়েছিল, লাল-হলুদ সমর্থকরা। শোনা গিয়েছিল দিন দশেক এর মধ্যেই মিটতে চলেছে ক্লাব এর সমস্ত সমস্যা। যারজন্য , ইস্ট বেঙ্গল এর ক্লাব সদস্য তথা আইনজীবী পার্থ সারথি সেনগুপ্ত কে এই কাজ এ নিয়োগ করার পাশাপাশি সুকুমার সমাজপতি র মত প্রাক্তনিদের নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি ও তৈরি করে ক্লাব কর্তারা। সেই কমিটির বৈঠকে ও নজর ছিল সকল সমর্থকদের। কিন্তু সেই কমিটির পক্ষ থেকে ও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এর আবেদন চাওয়া হয়।
ইস্টবেঙ্গলের অচল অবস্থা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি সমর্থকদের
যারফলে এখনও প্রশ্নের মুখে ইস্টবেঙ্গল এর ভবিষ্যৎ। তাই এই অচল অবস্থার অবসান ঘটাতে আজ টুইটারে মুখ্যমন্ত্রী কে ট্যাগ করে একটি খোলা চিঠি লেখে লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাঁরা লেখেন – ” আমরা শুনলাম চুক্তি সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টারের এখন ও দ্বন্দ্ব রয়েছে। কিন্তু আমরা জানি আপনি চেয়ে ছিলেন আজই চুক্তির কথা সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হোক।তাই আমাদের অনুরোধ আজকের মধ্যে এই চুক্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হোক, যদি বল প্রয়োগ করতে হয়, তবে তাই করুন।” তবে শেষ পর্যন্ত কি হয়, এখন সেটাই দেখার।







