নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপাচার্যর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বুধবার সেই মামলাগুলির শুনানি চলছিল। তবে মামলা চলাকালীন হঠাৎ করেই আদালতে উঠে আসে প্রয়াত অভিনেতা তথা সংসদ তাপস পালের প্রসঙ্গ। তাপস পালের সেই বিখ্যাত লাইন ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেবো কথটি উঠে আসে।
আরও পড়ুনঃ বিবেকানন্দ রোডে পুলিশকর্মীর মৃত্যু ঘিরে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য, আসল কারণ সামনে


তবে হঠাৎ করে কেন প্রয়াত তাপস পালের প্রসঙ্গ উঠে এলো? বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী র বিরুদ্ধে টোটো চালককে কাজে বাধা দেওয়া থেকে শুরু করে দুর্গাপূজো নিয়ে বিরূপ মন্তব্য একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর আইনজীবী বলেন, “বাড়িতে দুর্গাপুজো হয় এবং এখানে পুজোর ইতিহাস ব্যাখ্যা করা হয়েছে” এটি যে একটি বিরূপ মন্তব্য তা তিনি মানতে নারাজ। আইনজীবী এই প্রসঙ্গ টেনেই বলেন যে, তাপস পালের ঘরের ছেলে ঢুকিয়ে দেবো কথাটিও মন্তব্য কিন্তু এই প্রসঙ্গে কেউ কোন এফআইআর দায় করেননি।

তবে বিচারপতি বলেছেন যে বিদ্যুৎ রায়ের বিরুদ্ধে যখন এফ আই আর দায়ের হয়েছে তখন তার বিচার হবেই। বিচারপতি জানিয়েছেন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১১ই জানুয়ারি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মহুয়া মৈত্র এখন যেই কৃষ্ণনগরের সাংসদ, তাপস পাল ও সেখানকারই সাংসদ হিসেবে ছিলেন। তবে অভিযোগ ঊঠছে মহুয়া মৈত্রের পাশে অনেককে দেখতে পাওয়া গেলেও তাপস পালের পাশে সেই সময় কাউকেই পাওয়া যায়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক প্রয়াত সংসদ তাপস পালের পরিবারের লোকজন।
‘ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব’ হাইকোর্টে উঠে এল তাপস পাল প্রসঙ্গ

সাক্ষাৎকারে তাপস পালের মেয়ে সোহিনীকে বলতে শোনা যায়, তার বাবা অর্থাৎ তাপস পাল মুক্তি পাবার পর আইন মন্ত্রী মলয় ঘটকের অফিসে তারা গিয়েছিলেন সাহায্যের জন্য, তো তিনি অফিসে থাকা সত্ত্বেও তাদের সাথে দেখা করতে অস্বীকার করেন। এমনকি তাপস পালকে তারা যে এক কোটি টাকার বিনিময় ছাড়িয়ে ছিলেন, সেই টাকা ও নাকি দেওয়ার আশ্বাস জানিয়েছিলেন মলয় ঘটক। কিন্তু পরে সেই টাকা তারা পায়নি। অনেক কষ্টে তাপস পালের পরিবার সেই টাকা চেনাজানা মানুষদের থেকে জোগাড় করেছিলেন। এমনকি তার মধ্যে তাপস পালের বেশ কিছু সঞ্চয় ছিল। এক কোটি টাকা এখনো সিবিআই এর কাছেই রয়েছে।









