নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্পর্কে ফিরতে চাননি। সম্পর্কে রাজি না হলেই বদলে যাচ্ছে পুরনো সব সমীকরণ! অন্তত বারবার তেমন ঘটনারই সাক্ষী থাকছে সাধারণ মানুষ। ফের কলকাতায় সম্পর্কের জেরে আসিড হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় পুর্ব কলকাতার উল্টডাঙ্গা এলাকায় ঘটে ঘটনাটি। পুলিশি সূত্রের খবর সম্পর্কের টানাপড়োনের জেরে ঘটে এই ঘটনাটি। ঘটনার পরই স্বাভাবিক ভাবে উল্টোডাঙা থানা এলাকার আরিফ রোডে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। এলাকাবাসীরা এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযুক্তকে তুলে দেয় পুলিশের হাতে।
আরও পড়ুনঃ সীমান্তে কৃষকদের আটকাতে রাস্তায় পেরেক-কাঁটাতারের বেড়া, যেন যুদ্ধক্ষেত্র!


সূত্রের খবরে জানা যায়, সম্পর্কের জের এবং বচসা থেকেই ঘটেছে ঘটনাটি। বাল্ব কারখনার কর্মী এক মহিলা, ঘটনার অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি মহিলারই প্রতিবেশি। এবং জানা যাচ্ছে ঘটনায় অভিযুক্ত ওই মহিলারই প্রতিবেশি ছিলেন। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমের দিকে। কিন্তু মহিলার বিয়ে হয়ে যায় অন্য একজনের সঙ্গে। সেখান থেকেই সমস্যার সুত্রপাত। ছিটকে যায় পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক।
নতুন ভাবে বাল্ব কারখানায় কাজ শুরু করেন মহিলা। প্রতিবেশীদের কথা অনুযায়ী লকডাউনের সময় আবার সম্পর্ক জোড়া লাগে পুরনো বন্ধুর সঙ্গে। সপর্ক পুর খাতে বইতে শুরু করলে আবার পুরনো সম্পর্কে ফিরে আসতে চান অভিযুক্ত। কিন্তু তাতে রাজি হননি ওই মহিলা। তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে থাকতে চেয়ে ফের ফিরিয়ে দেন ওই অভিজুক্তকে। সেখান থেকেই শুরু এসবের বলে মনে করছেন প্রতিবেশীরা।
বারবার একই প্রস্তাব নিয়ে গত কয়েকমাস ধরে কাজে যাওয়ার সময় মহিলাকে উত্যক্ত করতেন ওই অভিযুক্ত। কয়েকদিন আগেই ফের সম্পর্কের ফেরা এবং সেই বিষয়ে কুপ্রস্তাব দেন অভিযুক্ত। তাতে মহিলা পুলিশে অভিযোগ জানাবেন বললে ক্ষতির হুমকি দেন অভিযুক্ত। সোমবার সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফেরার সময় ওই মহিলার ওপর আক্রমন করেন অভিযুক্ত।


উল্টোডাঙা একটি দোকান থেকে বাথরুম পরিষ্কার করার নাম করে অ্যাসিডের বোতল কেনেন, এবং ওই মহিলা বাড়ি ফেরার সময় তাঁর ওপর অ্যাসিড ছুড়ে মারেন অভিযুক্ত। বাড়ি থেকে কিছু দুরেই ওই মহিলার ওপর অ্যাসিড ছুড়ে মারেন , তাতে উল্টোডাঙারই কৃত্তিবাস মুখার্জী রোডের এক বাসিন্দার গায়েও লাগে অ্যাসিড। দুজনের আক্রান্ত হওয়ার পরই ঘটনাস্থল থেকে পালাতে চান অভিযুক্ত।
সম্পর্কে ফিরতে চাননি। কিন্তু পালানোর আগেই এলাকাবাসী ধরে ফেলেন অভিযুক্তকে। এবং পুলিশের হাতে তুলেও দেন তাঁকে। পুলিশ অভিযুক্তকে জেরা করছেন এবং তদন্তের স্বার্থে যে দোকান থেকে অ্যাসিড কিনেছিলেন অভিযুক্ত তাকেও জেরা করবে পুলিশ। তবে সম্পর্কের টানাপোড়নের জন্য এই ঘটনার সাক্ষী থাকছে সাধারণ মানুষ।







