নজরবন্দি ব্যুরোঃ মারণ ভাইরাসের সংক্রমণে আরও জর্জরিত হচ্ছে দেশ। একইভাবে করোনার করাল ছায়া প্রকট হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যে ২ হাজারের উপরে নতুন আক্রান্তের সন্ধান মিলছে। এই পরিস্থিতিতে কড়া লকডাউনে যাওয়া ছাড়া সংক্রমণ রোখার আর কোনও রাস্তা ছিল না। তাই সরকারি নির্দেশে আজ বৃহস্পতিবার ও আগামী শনিবার ২৫ তারিখ সম্পূর্ণ লকডাউনে থাকবে পশ্চিমবঙ্গ।
আরও পড়ুনঃ অগাস্ট থেকে দিনে ১ লক্ষ কোভিড টেস্ট! অত্যাধুনিক যন্ত্র কিনে মাস্টারস্ট্রোক মমতার।


বৃহস্পতিবার সকালে ছটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন। সংক্রমণ রুখতে ও লকডাউন ভঙ্গকারীদের শায়েস্তা করতে সকাল থেকেই পথে নেমে পড়েছে কলকাতা ও জেলার পুলিশবাহিনী।লকডাউন বিধি যাতে কোনও ভাবে লঙ্ঘিত না হয় তার জন্য আজ সকাল থেকেই মহানগরের রাস্তায় বিশেষ টহলদারি শুরু করেছে পুলিশ। এন্টালি, রাজাবাজার থেকে শুরু করে কাশিপুর, চিত্পুর, যাদবপুর, পার্কসার্কাস, গড়িয়াহাট, বেহালা সর্বত্রই শুরু হয়েছে পুলিশি টহলদারি। রাস্তায় রাস্তায় গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে।
গাড়ি থামিয়ে চালকদের রাস্তায় বেরনোর কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যারা বাইরে যারা বেরোচ্ছেন, তাদের বাড়ি ফেরত পাঠানো হচ্ছে। অপর দিকে জেলা গুলিতেও চলছে নজরদারি। কোচবিহারের ভবানীগঞ্জ সব্জি বাজারে ও হাসপাতাল লাগোয়া দোকান বন্ধ করতে লাঠিপেটা করতে হয় পুলিশ। তবে কোচবিহারের অধিকাংশ বাজার ছিল বন্ধ। রাস্তায় খুব প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই সেভাবে দেখা যায়নি। অধিকাংশ খুব প্রয়োজনে মাস্ক মুখে বেড়িয়েছিলেন।চুঁচুড়ায় লকডাউনে যে সব দোকান খোলা হয়েছিল তা বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।সকাল থেকে চন্দনগরে পুলিশি টহল।কড়া লকডাউন চলছে দুর্গাপুরে।
যদিও সেই লকডাউন ভেঙে ভিড় নজরে এসেছে বেনাচিতি বাজারে। পান্ডবেশ্বরেও লকডাউন ভাঙার ছবি। লকডাউন ভাঙায় আটক একাধিক মানুষ। রাস্তায় পুলিশি টহলদারি চলছে। অপর দিকে নিয়ম ভাঙার অপরাধে বহরমপুরে পুলিশের হাতে আটক বেশ কয়েকজন। বৃহস্পতিবার বহরমপুর গির্জার মোড় সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় ও বহিরাগতদের রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তাঁদের আটক করে পুলিশ। গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে থাকা মানুষজনদের লকডাউন ভাঙার অপরাধে আটক করা হয়। লকডাউন মানাতে রাস্তায় নেমেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনীষ সরকার-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা।









