নজরবন্দি ব্যুরোঃ অগাস্ট থেকে দিনে ১ লক্ষ কোভিড টেস্ট! অত্যাধুনিক যন্ত্র কিনে মাস্টার স্ট্রোক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার রাজ্যে একদিনেই হবে এক লক্ষ করোনা ভাইরাসের টেস্ট! করোনা আবহে কার্যত ধুঁকছে বাংলা। প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। করোনা ব্যাপ্তির পাশাপাশি বিরোধীদের সমালোচনার মুখে রাজ্যের একাধিক সিদ্ধান্ত। তাঁর ওপর কদিন আগেই কম টেস্ট নিয়ে নবান্ন কে চিঠি ধরিয়েছে কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে অত্যাধুনিক কোভিট টেস্টের যন্ত্র কিনে সবাইকে চমকে দিল মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার।
আরও পড়ুনঃ আগামী বছর পর্যন্ত বাংলার মানুষকে বিনামূল্যে রেশন। নির্দেশিকা জারি খাদ্য দপ্তরের।


উল্লেখ্য, রাজ্যের হাতে গোনা ২ – ৩ টি জেলা বাদ দিয়ে সব জেলাতেই কার্যত বায়ুবেগে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। প্রায় প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়া বা দক্ষিন ২৪ পরগণার সাথে সম্প্রতি পাল্লা দিতে শুরু করেছে দার্জিলিং দক্ষিন দিনাজপুর বা মালদার মত উত্তরের জেলাগুলি। আজ রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৯১ জন! নতুন ২ হাজার ২৯১ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৩২১ জন।
পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ৩৯ টি, যা এতদিনের মধ্যে সর্বাদিক। ৩৯ জন কে নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২১।পাশাপাশি গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্য জুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬১৫ জন। এদিনের ১৬১৫ জন কে নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৯ হাজার ৬৫০ জন। এদিন ১৬১৫ জন সুস্থ হয়ে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬০.১১ শতাংশ করোনা আক্রান্ত।
অগাস্ট থেকে দিনে ১ লক্ষ কোভিড টেস্ট হবে রাজ্যে। সুইৎজারল্যান্ড থেকে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় করোনা ভাইরাস পরীক্ষার যন্ত্র কিনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। যেহেতু আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন বন্ধ তাই জলপথে সুইডেন থেকে কলকাতা আসছে এই যন্ত্র। রাজ্য সরকারের লক্ষ্য ১লা অগাস্টের মধ্যে দিনে ১ লক্ষ করোনা পরীক্ষা চালু করা। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর Cobas 6800 নামে এই যন্ত্র কেনা হয়েছে। জলপথে সুইডেন থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে ওই যন্ত্র। এই যন্ত্র দিয়ে দিনে ১ লক্ষ করোনা পরীক্ষা করা যাবে। সূত্র জানাচ্ছে প্রাথমিক ভাবে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ এবং কলকাতার কয়েকটি হাসপাতালে এই যন্ত্র ব্যাবহার করা হবে। ক্রমে তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে জেলায়। রাজ্য সরকারের লক্ষ প্রত্যেক রাজ্যবাসীকে টেস্টের আওতায় নিয়ে আসা। যন্ত্র ব্যবহারের জন্য ইতিমধ্যেই টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে।









