নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত এইমসের কর্মচারীরা। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে তদঞ্জত করতে গেলে কেন্দ্রের অনুমোদনের প্রয়োজন। সোমবার সিআইডিকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অর্থাৎ এইমসের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে লাগবে কেন্দ্রের অনুমতি। সেক্ষেত্রে তদন্ত করতে গিয়ে বেগ পেতে হচ্ছে সিআইডি কর্তাদের।
আরও পড়ুনঃ Dilip Ghosh: সিবিআই নয়, বিশ্বস্ত এজেন্সি ইডি, নিজের অবস্থানে অটুট দিলীপ


উল্লেখ্য, কল্যাণী এইমসে নিয়োগে দুর্নীতির কথা এর আগে উল্লেখ করেন মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ ছিল, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মতো কল্যাণী এইমসে প্রভাব খাটিয়ে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে বিজেপির দুই সাংসদ, দুই বিধায়ক-সহ ৮ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তে নামে সিআইডি। ইতিমধ্যেই সমস্ত নথি কল্যাণী থানার তরফে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়াই সিআইডির তদন্ত নিয়তে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

মামলা হাইকোর্টে গড়ায়। কেন্দ্রের আইনজীবীর তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, বেআইনি নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। সেই মামলায় কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়াই তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রের আইনজীবীর সেই যুক্তি মেনে নিয়েই সোমবার সিআইডিকে সতর্ক করেছে আদালত। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।


সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফে স্পষ্ট করে সিআইডির উদ্দেশ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়, দুর্নীতি দমন আইনের ১৭ (এ), ১৯৮৮ মোতাবেক, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনও কর্মী বা আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত, অনুসন্ধান এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে কল্যাণী এমসের কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রের অনুমতি নিতে হবে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডিকে।
নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে লাগবে কেন্দ্রের অনুমতি, স্পষ্ট করল হাই কোর্ট

এর আগে কল্যাণী এইমসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দুই বিধায়কের বাড়িতে হানা দেয় সিআইডির কর্তারা। নজরে ছিলেন বিজেপির বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানার কন্যা মৈত্রী দানা। তাঁর উত্তরে একাধিক অসঙ্গতি পেয়ে বিজেপির বিধায়ককে তলব করে সিআইডি। তদন্তের গতি বাড়াতেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে।







