নজরবন্দি ব্যুরোঃ পাঞ্জাবের ভাতিন্ডার জনসভায় বক্তব্য রাখার জন্য সড়কপথে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের জেরে প্রায় ২০ মিনিট আটকে রইল কনভয়। মোদির নিরাপত্তায় গাফিলতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। বাতিল করে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসুচী। বিমানবন্দরে ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া রিপোর্টে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকারের দিকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ করোনা কাঁটায় জর্জরিত CBI দফতর, আক্রান্ত একাধিক আধিকারিক


ভাতিন্ডা বিমানবন্দরে ফিরে আধিকারিকদের জানিয়েছেন, আপনাদের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাবেন। আমি ভাতিন্ডা বিমানবন্দর অবধি বেঁচে ফিরেছি”।
Officials at Bhatinda Airport tell ANI that PM Modi on his return to Bhatinda airport told officials there,“Apne CM ko thanks kehna, ki mein Bhatinda airport tak zinda laut paaya.” pic.twitter.com/GLBAhBhgL6
— ANI (@ANI) January 5, 2022
এদিন ভাতিন্ডা থেকে হুসেইনওয়ালায় একটি সরকারী কর্মসূচি জাতীয় শহীদ মেমোরিয়ালে যাওয়ার কথা ছিল। ভাতিন্ডা থেকে প্রথমে হেলকপ্টারে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু প্রায় ২০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করার পর সড়ক পথে যাত্রার কথা ঘোষণা করা হয়। সেক্ষেত্রে আরও দুই ঘন্টা অতিরিক্ত সময় লাগার কথা। এরপর পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপির অনুমোদনের পরেই প্রধানমন্ত্রীর কনভয় সড়কপথে রওনা দেয়।
গন্তব্যস্থলের ৩০ কিলোমিটারের আগেই থেমে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। বিক্ষোভকারীদের জেরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে কনভয়। ফিরিয়ে নেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়, নিরাপত্তায় ব্যাপক গাফিলতি ছিল। পাঞ্জাব সরকারের কাছ থেকে এবিষয়ে বিস্তারে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর এদিনের কর্মসূচীর বিষয়ে আগে থেকেই পাঞ্জাব সরকারকে অবগত করা হয়েছিল। সরকারের উচিত ছিল আগে থেকেই সমস্ত পদক্ষেপ নিয়ে রাখা। ওই রাস্তায় যাতে না কোনও সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়, তার জন্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন ছিল। যেটা পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছিল নিরাপত্তায় গাফিলতি ছিল। তাই সেখান থেকেই ভাতিন্ডা ফিরে যেতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।
মোদির নিরাপত্তায় গাফিলতি, বেঁচে ফিরলেন, জানালেন নিজেই
বিষয়টি নিয়ে পাঞ্জাব সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ট্যুইট করে তিনি লেখেন, পাঞ্জাব সরকার চায় না পাঞ্জাবে উন্নয়নমূলক কোনও কাজ হোক। তাই প্রধানমন্ত্রীকে শহীদ ভগত সিং অন্যান্য শহীদ প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির তরফে জানানো হয়েছিল রাস্তায় কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি নিরাপত্তায় বড়সড় গলদের প্রশ্ন তুলছে। এবিষয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি কোনও পদক্ষেপ নেননি। পাঞ্জাব পুলিশের তরফে আগেই থেকেই সভায় আগত সাধারণ মানুষকে আটকে দেওয়া হচ্ছিল।









