নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্যামেরার ফোকাস এখন ভবানীপুরে, হাইভোল্টেজ উপনির্বাচন ঘিরে কার্যত যুদ্ধ চলছে ভবানীপুরে। প্রিয়াঙ্কা কে সামনে রেখেই যে বিজেপি নিজেদের ১০০ শতাংশ শক্তি প্রয়োগ করবে ভবানীপুরে তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থী কে পাশে বসিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘হারা প্রার্থীর বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া প্রার্থী দিয়েছি। এ নিয়ে আবার এত কথার কী আছে!’


এদিকে দাপটের সাথে প্রচার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনতাকে আহ্বান করছেন একটাও ভোট যাতে জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কোথাও না পড়ে সেই জন্যে। তৃণমূলের আশা রেকর্ড ভোটে জিতবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপি প্রার্থীর ‘মেন্টর’ বাবুল সুপ্রিয় কে দলে যোগদান করিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রের লড়াই থেকে বিজেপি কে অনেক টা পিছনে ফেলে দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু হাল ছাড়ছে না বিজেপিও। এদিন সন্ধ্যায় একেবারে মমতার দুয়ারে লাশ নিয়ে হাজির বিজেপি!
মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অদূরে মগরা হাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সদ্য প্রয়াত মানস সাহার দেহ নিয়ে মিছিল করে বিজেপি। সেই মিছিল ঘিরে চরম উত্তেজনার তৈরী হয়। প্রয়াত মানস সাহার দেহ নিয়ে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টেব্রিওয়াল। তাঁর সাথে ছিলেন বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ অর্জুন সিং। মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছাতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
মমতার দুয়ারে লাশ নিয়ে হাজির বিজেপি, কেলোর কীর্তি কালীঘাটে!!

সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কলকাতা পুলিশের বিশাল বাহিনী। পৌঁছে যান আইপিএস আকাশ মেঘারিয়া। পুলিশ বনাম বিজেপি, কার্যত ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায়। পুলিশের সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের বচসা শুরু হয়। তিনি রাস্তায় বসে পড়েন। এরপরই বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতিকে টেনে হিঁচড়ে তোলে পুলিশ। দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। বিজেপির দাবি পুলিশ তাঁদের নেতার মৃতদেহ ছিনিয়ে নিতে এসেছিল!









