শুভেন্দু-র গড় নন্দীগ্রামে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিলেন ৫০০ কর্মী।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুভেন্দু-র গড় নন্দীগ্রামে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিলেন ৫০০ কর্মী। আজ কলকাতার হেস্টিং-স এ অবস্থিত বিজেপি-র পার্টি অফিসে তাঁদের হাতে পদ্ম পতাকা তুলেদেন গেরুয়া ব্রিগেডের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যে ৫০০ জন কর্মী তৃণমূল ছেড়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান বা ব্লক সভাপতি-র মত নেতারাও। বিজেপি সূত্রে খবর আজই দুপুর ৩টে নাগাত এই কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলেদেন দিলীপ ঘোষ।

আরো পড়ুনঃ পাকিস্তান কে বিশ্বাস করেনা আমেরিকা! ওবামা-র কলমে মিশন ওসামা।

শুভেন্দু-র গড় নন্দীগ্রামে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিলেন ৫০০ কর্মী। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, যোগদানকারীদের মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বয়াল ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল নেতা পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-তে। পাশাপাই একই গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ভুঁইয়া নিজের দলবল নিয়ে যোগ দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। পাশাপাশি, তৃণমূলের গকুল নগর ৬ নম্বর কমিটির মেম্বার তুহিন জানা সহ এলাকার তৃণমূল নেতা সুজিত প্রধান, সীতারাম মণ্ডল শুভঙ্কর আরি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে।

কিন্তু খোদ শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে এহেন দলবদল? উল্লেখ্য, জল্পনার পারদ তুঙ্গে চড়িয়ে ১০ তারিখ নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে।’ সেই শুভেন্দু অধিকারী গতকাল বৃহস্পতিবার রামনগরের সভায় বলেছেন, ‘এখনও একটি দলের আমি প্রাথমিক সদস্য। মন্ত্রিসভারও সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে তাড়াননি, আমিও দল ছাড়িনি…’

শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্র করে এই যে এত আলোচনা, জল্পনা, এত কৌতূহল, শাসক দলে উত্‍কণ্ঠা, বিরোধী শিবিরে উত্‍সব। সবটাই কি বিফলে গেল? রাজ্য রাজনীতিতে অনেকের তুলনায় এই হেভিওয়েট নেতার বয়স কম। কিন্তু এত কম বয়স থেকে রাজনীতি করছেন যে ঘষেমেজে যথেষ্টই পোড় খেয়েছেন এত বছরে। তাঁর ঘনিষ্ঠরা বলছেন, ‘শেষ কথা কিন্তু দেওয়ালে লেখা হয়নি। সবটা শুনে দেখুন!’

তাঁর কথায়, ‘আমি বসন্তের কোকিল নই। শুধু ‘ভোট চাই ভোট দাও’ বলি না। সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা মানুষের সঙ্গে থাকি। লকডাউনে ছিলাম, কোভিডে ছিলাম, আমফানের সময়েও ছিলাম। ঝড়ের রাতে দিঘায় মনে হচ্ছিল উড়িয়ে নিয়ে ফেলে দেবে। কিন্তু নন্দীগ্রাম করা লোক তো! অত সহজে ওড়ানো যাবে না।’ রাজনীতিবিদদের মতে, শুভেন্দু যথেষ্ট কৌশলী। রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলছেন। উনি এখনও তৃণমূলের সদস্য। সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রী। সুতরাং পদে থেকে দল বা সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কিছু বলা শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন