এনডিএ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ২০১৪ এবং ২০১৯-এর মতো এ বার বিজেপি একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।সরকার গড়ার ক্ষেত্রে যদি টিডিপি, জেডিইউ-র মতো দল বেঁকে বসত, তবে চাপে পড়ে যেতেন নরেন্দ্র মোদী। তারা যাতে জোট ছেড়ে বেরিয়ে না যায়, তাই শপথ গ্রহনের পরেই দ্রুত মন্ত্রীত্ব বন্টনের কাজ সারার চেষ্টা করছে বিজেপি। ১০ বছর পর এই প্রথমবার শরিকদের সাথে দফতর ভাগাভাগি করতে হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ খুব বেশি পরিবর্তন হল না মোদির মন্ত্রিসভায়, নতুন সরকারে কোন পদে কে? দেখুন এক নজরে


এ বারে ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনও দল। বিজেপি আটকে গিয়েছে ২৪০ আসনে। তাই সরকার গড়তে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহদের ভরসা করতে হচ্ছে এনডিএ-র শরিকদের উপর। প্রাপ্ত আসন সংখ্যার নিরিখে এনডিএ-র শরিকদের মধ্যে বিজেপির পরই রয়েছে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি)। তৃতীয় স্থানে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)। এদিকে স্বরাষ্ট্র দফতর চেয়েছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। তাঁর শর্ত হয় অমিত শাহর হাত থেকে স্বরাষ্ট্র দিতে হবে অন্য কাউকে অথবা টিডিপিকে।

চন্দ্রবাবু নাইডু চাইছিলেন না স্বরাষ্ট্রদফতর থাক অমিত শাহর হাতে। পাশাপশি তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দু’টি প্রতিমন্ত্রীর পদ দাবি করেছিলেন নাইডু। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও চেয়েছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে মহা বিড়ম্বনায় ছিল বিজেপি। কারণ তারা চাইছিলেন না অর্থ, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ কোন জোট সঙ্গীকে দিতে। গতকালই চন্দ্রবাবুকে শান্ত রেখে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। মোদীর পরে অমিত শাহর পরিবর্তে শপথ নেন রাজনাথ। তারপর শপথ নেন অমিত শাহ। শপথের ফর্মুলা অনুযায়ী সবাই ভেবেছিলেন স্বরাষ্ট্র যাচ্ছে রাজনাথের হাতে। খুশি ছিলেন চন্দ্রবাবুও।


গুরুত্ব পেলনা টিডিপি-র দাবি, চন্দ্রবাবুর আবদার উড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শাহকে দিলেন মোদী।

কিন্তু শেষ মুহুর্তে শরিকদের উপর চাপ বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র, রেল, প্রতিরক্ষা, সড়ক বা অর্থ মন্ত্রকের মত গুরুত্বপূর্ন দফতর গুলোকে নিজের হাতেই রাখল বিজেপি। ফের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন অমিত শাহ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর দায়িত্বেই রইলেন নিতিন গডকড়ী। বিদেশমন্ত্রী হলেন এস জয়শঙ্কর পাশাপশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী হলেন নির্মলা সীতারমন।







