করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে সুখবর দিলেন এমস-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে সুখবর দিলেন এমস-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। দেশজুড়ে হুহু করে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। কার্যত পুরো বিশ্ব করোনা আবহে টালমাটাল। বিশ্বের একাধিক দেশের গবেষকরা দিন রাত এক করে কাজ করে চলেছেন প্রতিষেধক আবিষ্কার করার জন্যে। অনেক দেশের সাথে প্রথম সারিতে রয়েছে ভারতও। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সুখবর দিলেন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সেস (এমস)-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দ্রুত পুরভোটের দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ রাজ্য বিজেপি।

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে সুখবর দিলেন এমস-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। রণদীপ জানিয়েছেন, ২০২১-এর জানুয়ারিতেই করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আসতে পারে ভারতে। যদিও সেক্ষেত্রে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।কারন প্রতিষেধক দেশের বাজারে এলে তা কতটা সহজলভ্য হবে সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি। তাছাড়া ১৪০ কোটি দেশবাসীর কাছে করোনা ভ্যাকসিন কিভাবে পৌঁছান হবে তা নিয়েও উদবিঘ্ন রণদীপ। যদিও তিনি জানান, যেখানে আগে জরুরি সেখানেই আগে পৌঁছে দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। এই মডেল ধরেই এগোতে চাইছে সরকার।

গুলেরিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে দুটো দলে ভাগ করে এই প্রতিষেধক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হতে পারে। প্রথম দলে থাকবেন স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য কোভিড যোদ্ধা। দ্বিতীয় দলে থাকবেন তাঁরা, যাঁদের মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন বন্টনের পরিকল্পনা গ্রহন করার জন্যে রাজ্য সরকার গুলোকে চিঠি দিয়েছে। ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি পেয়ে গেলে সাথে সাথেই যাতে তা দেশের প্রতিটি কোনায় থাকা জনগনের কাছে সুষ্ঠ ভাবে পৌঁছে দেওয়া লক্ষ্য। আর সেই উদ্দেশ্যেই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারগুলিকে চিঠি দিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রিয় সরকার।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “কোভিড-১৯ মহামারি প্রতিরোধের জন্য কার্যকরী পদ্ধতিটি হল টিকাকরণ। এর জন্য প্রতিষেধকের সংরক্ষণ এবং কোল্ড চেনের মাধ্যমে তা যথাযথ বণ্টনের জন্য একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়ার দরকার। দৃঢ় পরিকল্পনার মাধ্যমে বিষয়গুলিকে নিশ্চিত করা আবশ্যক”।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত