নজরবন্দি ব্যুরো: মহুয়া বিতর্কে এবার মুখ খুললেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগও করেছেন তিনি। তাহলে কি মহুয়ার পাশে দাঁড়ালেন অভিষেক? যদিওবা এপ্রসঙ্গে এদিন সিজিও থেকে বেরিয়ে তৃণমূল নেতা বললেন, “মহুয়ার নিজের লড়াই, নিজে লড়ার যোগ্য।”
আরও পড়ুন: Mahua Moitra: লোকসভা থেকে বহিষ্কার হতে পারেন মহুয়া? সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ এথিক্স কমিটির


এদিন ফের একবার ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার সিজিওতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলবে ১১টা ৫ মিনিটে সিজিওতে ঢুকেছিলেন তিনি। আর ঠিক দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। আর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে এসে একাধিক মন্তব্য করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন মহুয়া মামলায় তীব্র সমালোচনা করে অভিষেক বলেন, “নীতি কমিটির সুপারিশের যে খসড়া আমার হাতেও এসেছে। তাতে যা দেখলাম, মহুয়ার বিরুদ্ধে কিছু রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, তদন্ত করে দেখতে হবে। যদি কিছু নাই থাকে, তাহলে বহিষ্কারের সুপারিশ করলেন কী করে? মহুয়া নিজের লড়াই, নিজে লড়ার যোগ্য। ওরা আমাকেও চার বছর ধরে ডাকছে। বার বার জিজ্ঞাসাবাদ করছে। একটা মামলায় কিছু না পেলে, তারপরেই অন্য মামলায় নাম জড়াচ্ছে। এরা এই রকমই, এটাই করতে পারে। এটা রাজনীতির প্রতিহিংসা ছাড়া কিছু নয়। সাধারণ মানুষ সব বুঝতে পারছেন।”



মহুয়া বিতর্কে মুখ খুললেন অভিষেক, কি বললেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক?
তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, “অনেক কম সময়ের মধ্যে আমার কাছে যা যা চাওয়া হয়েছিল, আমি সেই সময় নথি দিয়ে এসেছি। আমি চাইলেই চিঠি লিখে আরও একটু সময় চাইতে পারতাম। কিন্তু আমি সেটা করিনি। ৬০০০ পাতার নথিপত্র জমা দিয়ে এসেছি। এর আগেও অনেক বার ওরা আমাকে ডেকেছে। আমি গেছিও। দিল্লিতেও গেছি। আমি চাইলে এইবারও কোর্টের দারস্থ হতে পারতাম। কিন্তু আমি প্রথম থেকেই তদন্তে সহযোগিতা করে এসেছি, আগামীতেও করব।”








