ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এ প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিক্রি, তারপরে প্রশ্ন ফাঁসের জেরে গবেষক ও কলেজ শিক্ষকদের যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা নেট বাতিলের ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ। এবার প্রবেশিকা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রুখতে পাবলিক এগজামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার।
আরও পড়ুন: স্বাভাবিকের থেকে ১১ দিন দেরিতে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ, কী বলছে হাওয়া অফিস


এখন থেকে কোনও ব্যক্তি প্রশ্নপত্র ফাঁস বা উত্তরপত্রে বেনিয়ম করতে গিয়ে ধরা পড়লেই কড়া শাস্তি! জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হবে তাঁর বিরুদ্ধে। দোষী প্রমাণিত হলে ন্যূনতম ৩ বছর এবং সর্বাধিক ৫ বছরের জেল! দিতে হতে পারে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা।

একই সঙ্গে যদি কোনও নিয়ামক সংস্থা জালিয়াতি সম্পর্কে জেনেও কোনও পদক্ষেপ না গ্রহণ করে তবে সেক্ষেত্রে সেই সংস্থার ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে। সেই সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক এই দুর্নীতিতে যুক্ত থাকলে সর্বনিম্ন ৩ এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সঙ্গে ১ কোটি টাকা জরিমানাও হতে পারে। আর যদি পরীক্ষা আয়োজক সংস্থার তরফে কেউ জালিয়াতিতে যুক্ত থাকে তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা। ন্যূনতম ৩ বছর এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের সাজা হতে পারে। জরিমানা হবে ১ কোটি টাকা।



লাগু হল নতুন প্রশ্নফাঁস বিরোধী আইন, কঠোর শাস্তির নিধান কেন্দ্রের
গত মঙ্গলবার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি জুন মাসের নেট পরীক্ষা নেয়। এবার প্রায় ৯ লক্ষের উপর পরীক্ষার্থী তাতে অংশ নেন। একদিন পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম থ্রেট অ্যানালিসিস ইউনিটের তরফে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে পরীক্ষায় গরমিলের অভিযোগ এসেছে। ফলে, বাতিল করে দেওয়া হয় পরীক্ষা।







