নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রতিবছর ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। এটি পরিবেশ রক্ষার সচেতনতা এবং নতুন পদক্ষেপকে উৎসাহিত করতে জাতিসংঘ পালন করে। প্রকৃতি আমাদের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা হয়তো অনেকেই করোনা অতিমারীর পর কিছুটা বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে বহু বছর ধরে।
আরও পড়ুনঃ এই চাকরিটা আমার প্রাপ্য, কিন্তু সরকারের জন্য বঞ্চনার শিকার, নজরবন্দিকে জানালেন সোমা


তাও এখন অনেকেই এড়িয়ে চলেন সেই সচেতন বার্তা। দূষণের একটা বড় দিক হল পথের দূষণ। মুখের ওপর গাড়ির ছেড়ে যাওয়া কালো ধোঁয়া। সামনের কিছুটা জায়গা সাময়িক অস্বচ্ছ হয়ে যাওয়া। কখনও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ আবার কখনও হস্তক্ষেপ চেয়ে পরিবেশ কর্মীদের আন্দোলন। কিছুটা নড়েচড়ে বসা। তারপর আবার যে কে সেই। প্রকৃতিকে রক্ষা করে দূষণ কমানোর দায়িত্বটা কি শুধু সরকারের ঘাড়েই বর্তায়? মনে হয় না।

দেশের মানুষ হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের পরিবেশ কে রক্ষাকরা দায়িত্ব। এই বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের থিম ‘একমাত্র পৃথিবী’ (Only One Earth)। পৃথিবী এক এবং অদ্বিতীয়। তাই প্রত্যেকটি বিশ্ববাসীকে এই বসুন্ধরার প্রতি আরও যত্নশীল হতে হবে। আমরা গাছ লাগাতে পারি, আমাদের আশেপাশের শহরকে আরও সবুজ করতে পারি, বাড়ির বাগান পুনর্নির্মাণ করতে পারি, নিজেদের ডায়েট পরিবর্তন করতে পারি এবং নদী ও উপকূল পরিষ্কার রাখতে পারি।



আমরা এমন একটি প্রজন্ম যারা এই সবের মাধ্যমে প্রকৃতির শান্তি বজায় রাখতে পারি। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির নেতৃত্বে ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ জুনকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। এবারকার ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’–এর প্রতিপাদ্য বিষয় ‘অনলি ওয়ান আর্থ’, যা বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘শুধু একটাই পৃথিবী’।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস, এবারের ভাবনা ‘এশুধু একটাই পৃথিবী’
এ বছর এর আয়োজক সুইডেন। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক স্টকহোম কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর সেই সম্মেলনের স্লোগানও একই ছিল। ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের ৫০ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও এই সত্য বর্তমানেও একইভাবে প্রযোজ্য বিধায় আবারও নতুন করে স্মরণ করে দেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ছে—এ গ্রহই আমাদের একমাত্র বাড়ি।







