নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইন্টারভিউ শেষ হওয়ার ২ থেকে ৩ মাস আগে প্যানেল তৈরি করা হয়েছিল। এমনকি তাতে শিলমোহর দেয় ডেপুটি ডিরেক্টর অফ স্কুল এডুকেশন। শিক্ষক নিয়োগে বেনজির উদাহরণের দৃষ্টান্ত তৈরি করল মালদহ জেলা। ইন্টারভিউ ছাড়াই বৈধ প্যালেন! বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলা গড়াতেই শোরগোল পড়ে গেছে।
আরও পড়ুনঃ Maharashtra: উদ্ধবকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আসনে শিন্ডে, ঘোষণা করলেন ফড়নবীশ
অভিযোগ, মালদহ জেলার প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ২০০৯ আলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ২০১০ সালে লিখিত পরীক্ষা হয়েছিল। সেই পরীক্ষা বাতিল হতেই ২০১৪ সালে ফের পরীক্ষা হয়। ২০১৫ সালের শুরুতেই ফলপ্রকাশ করা হয়। সেই বছরেই ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হুয় ইন্টারভি। চলে অগাস্ট মাস অবধি। কিন্তু ২০২১ সালে যে প্যানেল প্রকাশ করা হয়, তাতে বেনজির দুর্নীতির হদিশ মিলেছে।

মামলাকারীদের অভিযোগ, ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ৩-৪ মাস আগেই প্যানেল তৈরি ছিল। যা একেবারে নিয়মের বাইরে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে ডিপিএসসির চেয়রাম্যান প্যানেল তৈরি করে। এই প্যানেল অনুমোদনের জন্য মুখবন্ধ খামে ডেপুটি ডিরেক্টর অফ স্কুল এডুকেশনের কাছে পাঠানো হয়। পরে ডেপুটি ডিরেক্টর অফ স্কুল এডুকেশন সেই তালিকার অগ্রাধিকার দিয়ে ফের চেয়রাম্যানকে পাঠায়।
মামলাকারীদের আরও অভিযোগ, ইন্টারভিউ চলেছে ২০১৫ এর ৭ অগাস্ট অবধি। অথচ প্যানেলে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের দিন রয়েছে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল এবং ডেপুটি ডিরেক্টর অফ স্কুল এডুকেশনের স্বাক্ষরের দিন রয়েছে ২০১৫ সালের ১১ জুন। অর্থাৎ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চেয়ারম্যান প্যানেল তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ মামলাকারীদের৷ এমনকি ১১ জুন সেই প্যানেলে স্বাক্ষর করে অগ্রাধিকার দেন।
ইন্টারভিউ হওয়ার ৩ মাস আগেই তৈরি প্যানেল, বেনজির দুর্নীতি শিক্ষক নিয়োগে!

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ওঠে মামলা। চার মাস পর মামলার শুনানি রয়েছে।



