নজরবন্দি ব্যুরো: চোপড়াতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল, হাইকোর্টের দ্বারস্থ কংগ্রেস। পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়নের প্রক্রিয়া শেষ হতে না হতেই রাজ্যে একাধিক জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল। চোপড়ার ৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২১৭ টি আসনের একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিরোধীরা। ফলত জয়ী শাসকদল। কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল শাসক দল। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও এই নিয়ে কিছুই ঘোষণা করেনি। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহার পর্বের প্রক্রিয়া চলছে। তাই আগেভাগা বিজয় উৎসবে রাজি নয় স্থানীয় নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন:মনোনয়ন দাখিল করে সকলকে চমকে দিলেন, জেলবন্দি বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার স্ত্রী
চোপড়া বিডিও সমীর মণ্ডল বলেন, ‘দেখছি কী করা যায়।‘ ইসলামপুরের মহকুমা শাসক আবদুল শাহিদ বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আজকেও মনোনয়ন আছে। দেখছি শেষ পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হবে কি না।‘ বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন , তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা চোপড়া বিডিও অফিস ঘিরে রেখেছে। ফলে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। একই অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের। সিপিএমের আনারুল হক বলেন, ‘আমরা কোনও মনোনয়ন পত্র দাখিল করিনি, আর কেউ যাবেও না।‘ গোটা ঘটনায় তৃণমূলের বিদায়ী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আজহারউদ্দিনের প্রতিক্রিয়া, ‘আমরা নিয়ম মেনে স্কুটনি ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরই বিজয় উৎসব করব।‘

পঞ্চায়েতে মনোনয়ন শুরুর দিন থেকেই বারবার বিরোধীদের অভিযোগ তৃণমূল তাঁদের বাধা দিচ্ছে। এই অভিযোগে কেন্দ্র উত্তাল ভাঙড থেকে ক্যানিং-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা। মনোনয়ন দাখিল পর্ব শেষ হতেই দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের একাধিক জায়গায় প্রার্থী দেয়নি বিরোধীরা। যদিও তাঁদের দাবি, দিতে দেওয়া হয়নি। যার জেরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হচ্ছে শাসকদল।

উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের ৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২১৭। জানা গিয়েছে, একটি আসনেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিরোধীরা। একই অবস্থা পঞ্চায়েত সমিতিতেও। জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা ৩। এর মধ্যে জেলা পরিষদের ২ নম্বরে আসনে বিজেপির প্রার্থী শকুন্তলা সিংহ মনোনয়ন পেশ করেছেন। বাকি দুই আসনে কোনও দলের প্রার্থী মনোনয়ন দেননি। ৩ নম্বর আসনে তৃণমূলের বিধায়ক হামিদুর রহমানের ছেলে শাহ আলম প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি জিতে গিয়েছেন তিনি।
চোপড়াতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল, হাইকোর্টের দ্বারস্থ কংগ্রেস

অন্যদিকে,। রাজ্যের বিরোধী দলের আর্জিতে সাড়া দিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে নতুন নির্দেশ জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া নির্দেশে বলা হয়েছে, কী সিদ্ধান্ত নিল কমিশন? দুপুরের মধ্যে তা জানাতে হবে। শুক্রবার এই নির্দেশ জারি করে আদালত



