সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তথ্যকে কেন্দ্র করে দাবি করা হচ্ছে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের যোগ্যতা, কর্মদক্ষতা এবং নিরপেক্ষতা যাচাই করতে বিশেষ ‘খাড়াই বাছাই’ বা পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চালু করা হতে পারে। বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
সূত্রের দাবি, সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর এবং স্বচ্ছ করে তুলতেই এই উদ্যোগের কথা ভাবা হচ্ছে। প্রশাসনিক স্তরে কর্মরত ব্যক্তিদের কাজের মান, দায়িত্ব পালনের দক্ষতা এবং আচরণগত বিষয়গুলি মূল্যায়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে কর্মীদের যোগ্যতা যাচাই। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনকারী সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজের মান এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনের সঙ্গে তাঁদের দক্ষতার সামঞ্জস্য খতিয়ে দেখা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।
এছাড়াও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। প্রশাসনিক কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বিশেষ কিছু মানদণ্ড রাখা হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।
কর্মদক্ষতার মূল্যায়নও এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। জনসেবামূলক কাজে নিয়োজিত কর্মীদের দায়িত্ব পালনের মান, উপস্থিতি, আচরণ এবং জনসংযোগের বিষয়গুলি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ধর্ম, বর্ণ বা সামাজিক পরিচয় নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান সুযোগ এবং সমতার নীতি বজায় রাখার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামোয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এমন পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মত একাংশের।
তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি নির্দেশিকা বা বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা এবং বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবামূলক বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, তাঁদের নিয়ে যে কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। আগামী দিনে সরকার বা সংশ্লিষ্ট দফতরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।



