নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হেফাজতে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আপাতত ১০ দিনের হেফাজত হলেও আগামী দিনে তা বাড়বে, সেটা অনুমান করতে পারছেন রাজ্য ও জেলা স্তরের নেতারা। তাই অনুব্রতকে ছাড়াই সংগঠনের কাজ জারি রাখতে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই আজই বৈঠকে বসছে তৃণমূল। শুধুমাত্র তাই-ই নয়, নয়া জেলাসভাপতি নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের কী পরিকল্পনা রয়েছে? সেবিষয়েও আভাস দেওয়া হবে এদিনের বৈঠকে।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: বোলপুরে অনুব্রতর চোখ ধাঁধানো খামারবাড়ি, রয়েছে মেয়ের নামে দুটি সংস্থাও


আজকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত রয়েছে বীরভূম জেলার সমস্ত বিধায়ক ও সাংগঠনিক স্তরের নেতারা। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বেশ কয়েকজন বিধায়করাও উপস্থিত থাকছেন। শুধুমাত্র দলের কর্মসূচি নয়, আগামী দিনে দল কীভাবে গোটা বিষয়টাকে পরিচালনা করবে? একইসঙ্গে বিরোধীদের কড়া প্রশ্নবাণ কীভাবে প্রতিহত করবেন শাসক দলের বিধায়করা। মূলত সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। এমনটাই সূত্রে খবর।

এমনিতেই কেষ্টহীন বীরভূমে কীভাবে চলবে দল? সেটা নিয়েও নজর রয়েছে রাজ্য স্তরের নেতাদের। তবে এখনই কেষ্টকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না তৃণমূল। পার্থর মতো আরও কিছুটা সময়ে দেখে নিতে চাইছে তাঁরা। তাই জেলা সভাপতি পদ নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না তৃণমূল। আপাতত জনসংযোগের মাধ্যমে ড্যামেজ কন্ট্রোল প্রধান লক্ষ্য।
যদিও রাজনৈতিক মহলের ধারণা, অনুব্রতর পর একাধিক বিধায়ক ও নেতারা এখন সিবিআইয়ের নজরে।গরু পাচারের টাকা কাদের কাছে যেত? সেখানে একাধিক অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতাদের নাম উঠে এসেছে। এই তালিকা ধরেই আগামী দিনে কাদের নাম এই তালিকায় যুক্ত হবে? সেটা নিয়ে প্রশ্ন ঘুরছে তৃণমূলের অন্দরে। কাজেই সবটা বুঝে আটঘাট বেঁধেই নামতে চান তৃণমূল নেতা-বিধায়করা।


কেষ্টহীন বীরভূমে কীভাবে চলবে দল ? চলছে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

কারণ, বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই নির্বাচনের আগে ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করবে তৃণমূল। শুধুমাত্র অনুব্রত নয়, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতিতেও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বীরভূম জেলাতেই। তাই কাজটা এত সহজ হবে। মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







