নজরবন্দি ব্যুরো: কালীপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে পাখা কমানোর প্রবণতা শুরু হয়েছে। আসলে হালকা শীতের আভা মনোরম করে তুলেছে পরিবেশকে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর অনুযায়ী আগামী পাঁচদিন রাজ্যের আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী রবিবার পর্যন্ত শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে।
আরও পড়ুন: দুর্নীতির ক্ষেত্রে টিম গেম খেলত পার্থ, পথের কাঁটা হলেই সরিয়ে দেওয়া হত


তবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রার তেমন হেরফের হবে না। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ৫ টি জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বিক্ষিপ্তভাবে। আপাতত চার-পাঁচ দিনে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আপাতত আগামী চার-পাঁচ দিন পশ্চিমবঙ্গে উত্তুরে হওয়ার প্রভাব ক্রমশ বাড়বে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে কোনও ঘূর্ণাবর্ত না থাকায় দক্ষিণা বাতাসের প্রভাব কমবে।

যদিও উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাব দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে আগামী কয়েকদিন। আজ, শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী পাঁচদিন কলকাতার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ৩২ এবং ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। উল্লেখ্য, আপাতত ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরেই থাকবে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। এর পরে নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ভোরের দিকে কিছুটা হলেও শীতের আমেজ শুরু হবে। তার আগে শীতের খবর নেই।
ভোরের হাওয়ার শীতের ইঙ্গিত, কবে আসবে ঠাণ্ডা, জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর



আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আধিকারিক গণেশ দাস বলেন, “এই মুহূর্তে বঙ্গে শীত ঢোকার কোনও সম্ভাবনাই নেই। সাইক্লোনের প্রভাবে কিছুটা তাপমাত্রা নিম্নমুখী হলেও তা শীত কোনওভাবেই নয়। পুরোপুরি শীত প্রবেশ করবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে। তার আগে সকাল বেলা কিংবা অফিস টাইমে শীত অনুভূত হবে না। যদিও নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ভোরের দিকে কিছুটা হলেও শীতের আমেজ পাবে শহরবাসী।”







