নজরবন্দি ব্যুরোঃ মালদহের রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব পেয়েছে গণী খান চৌধুরীর পরিবার। তৃণমূল হোক, অথবা কংগ্রেস, প্রতিবারেই গুরুত্ব পেয়ে এসেছেন কোতয়ালির পরিবার। কিন্তু ২০১৯ সালে রাজনৈতিক আবহাওয়ার বদল হয়। তখন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে চলে যান মৌসম। সঙ্গে চলে যান মামা লেবু, অর্থাৎ আবু নাসের খান চৌধুরী। এখন সময় বদলে ঘাসফুল থেকে ঝড়তে চলেছে মৌসম-লেবু। শীতের বাতাসে জল্পনা বাড়ালেন সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু।
আরও পড়ুনঃ লাগু হচ্ছে করোনাবিধি, কি নিয়ম মানতে হবে আর কি কি কখন খোলা, জেনে নিন


রবিবার কংগ্রেস সাংসদ তথা মালদহ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি আবু হাসেম খান চৌধুরীকে প্রশ্ন করা হয়, মৌসম নুর কী কংগ্রেসে আসতে পারেন? তাঁর বক্তব্য, কোতয়ালি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কোনও ঝগড়া নেই।দাদা আবু নাসের খান চৌধুরী নিয়ে বক্তব্য, লেবুদা কংগ্রেসে ছিলেন না। উনি বাইরেই ছিলেন। উৎসাহিত হয়ে তৃণমূলে চলে গিয়েছিলেন। পরে মৌসম নুর যোগ দেন। প্রত্যেকেই চিন্তা করছি ওরাও চিন্তা করছে মালদহে আমাদের বাড়ি কংগ্রেসের প্রতীক। সেখানে যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি।

উল্লেখ্য, মালদহের রাজনৈতিক ইতিহাসে বরাবর গুরুত্ব পেয়ে এসেছে আবদুল গণি খান চৌধুরীর পরিবার। কোতয়ালির ওই পরিবার কংগ্রেসের বলেই পরিচিতি সারা বাংলায়। কিন্তু ২০১৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে চলে যান মৌসন বেনজির নুর। অনেকেই ভেবেছিলেন কোতয়ালি পরিবারে ভাঙন শুরু হল বলে। কিন্তু তৃণমূলের প্রতীকে মালদহ উত্তর কেন্দ্র ধরে রাখতে ব্যর্থ হলেন মৌসম। সেই কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু। মালদহ থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তৃণমূলকে।
ঘাসফুল থেকে ঝড়তে চলেছে মৌসম-লেবু, কোতয়ালি পরিবারে রাজনৈতিক বদল

এরপর রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে মৌসমকে মনোনিত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এমনকি সাংগঠনিক দায়িত্ব পান তিনি। কংগ্রেস থেকে আসা মৌসমকে তৃণমূল সংগঠনের একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। যা ছিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তা অনেকটা সামাল দেওয়া গেলেও এখনও তা বর্তমান। এমন সময় মৌসমের দল পরিবর্তনে মুখ থুবড়ে পড়তে পারে জেলা তৃণমূলের সংগঠন।


যদিও তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, এই বিষয়ে আমার কারোর সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। আমার কিছু জানা নেই। আমি আমার দলের কাজ করছি।







