বর্তমান রাজনীতিতে স্থিরতার কোন জায়গা নেই। কখন কি হয় সেটা বলা যায় না হলফ করে। গত লোকসভা নির্বাচনে বাংলার বিনোদন জগত থেকে রাজনীতিতে এসেছিলেন অনেক তারকায়। আর এবার ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে এলেন অনেক নতুন মুখ কিন্তু খসে পড়লেন বেশ কিছু পরিচিত মুখও। গতকাল রবিবার ব্রিগেড মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ৪২ লোকসভা আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন: প্রার্থী তালিকায় নাম নেই, তৃণমূল ছাড়ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সব পদ থেকে ইস্তফা



এদের মধ্যে অন্যতম বড় চমক রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বেন হুগলি থেকে। এছাড়া সায়নী ঘোষ প্রত্যাশা মত প্রার্থী হয়েছেন। এই সায়নী ঘোষের জায়গাতেই গতলোকসভা নির্বাচনে ভালো ব্যবধানে জিতে চমক দিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। সেই মিমি এবছর দলে থেকেও টিকিট পাননি। যদিও তিনি সম্প্রতি সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন বলেও জানিয়েছিলেন।



তাই হয়তো এদিনের তালিকায় তার নাম ছিল না। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে আদৌ কি মিমির নাম বিবেচনা করছিল দল। তৃণমূলের ভেতরের খবর না মিমির নাম বিবেচিত হয়নি। মিমির হয়তো রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু তার কাজ নিয়ে সেরকম কোন সমালোচনা দলের অন্তরে ছিলনা। কিন্তু যাকে নিয়ে এই সমস্ত প্রশ্ন উঠেছে তিনি হলেন বসিরহাটের সাংসদ নুসরাত জাহান।
তিনি কিন্তু এবছর নতুন করে ভোটে লড়ার টিকিট পাননি। বসিরহাট এর মত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সাংসদ ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে কেন্দ্র করে জনতা ও দলের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। পাশাপাশি আরো বিভিন্ন কারণে দলের সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুডবুকে ছিলেন না নুসরত।
কেন বাদ পড়লেন মিমি-নুসরত?

আর নুসরত নিজেও হয়তো জানতেন এবার টিকিট পাওয়ার আশা সেভাবে তার ছিল না। তাই সন্দেশখালীর ঘটনা নিয়ে এক্কেবারে চুপ ছিলেন। তিনি মিমির মত সংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। তবে এবার টিকিট না পেয়ে তিনি কি মিমির মতোই রাজনীতি থেকে সরে আসবেন? এ উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।







