নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যেতেই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। অনুব্রত মণ্ডলের এই বিপুল সম্পত্তি কোথা থেকে এল? সেবিষয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ইডির আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, বীরভূমের হাট থেকে প্রতি সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার গরু পাচার হত বলে জানা গেছে। সেখান থেকেই প্রতি মাসে কম করে ৫ কোটি টাকা করে প্রোটেকশন মানি পেত কে? তা জানার জন্যেই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি।


আরও জানা গেছে অনুব্রত মণ্ডলের সাহায্যে এনামুল হক পাচারের টাকা বালি ও পাথর খাদানে বিনিয়োগ করত। সেই ব্যবসার কিছু অংশ চলে যেত সায়গল হোসেনের কাছে। ১৫ দিন অন্তর সেই টাকা জমা দিত হত বলে জানা গেছে। এই টাকার বিনিময়ে সহজে গরু বীরভূমের করিডর হয়ে বাংলাদেশে পাচার হতে পারত। এমনকি সীমান্তেও কোনও বাধার মুখে পড়তে হত না।

সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ড থেকে বীরভূম হয়ে মালদা, মুর্শিদাবাদ হয়ে গরু পাচার হত। আর যে রাস্তা দিয়ে তা হত, সেখানেই আগে থেকে মোতায়েন থাকতেন অনুব্রত বাহিনী। নির্বিঘ্নে বিধা বাধায় পাচার হয়ে যেত গরু। এনামুলের এই বিপুল ব্যবসা বৃদ্ধির পিছনে অনুব্রতর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এনামুলের ভাগ্নেদের ব্যবসা, বিদেশে জাহাজ-সবই গরু পাচারের টাকাতেই হত বলে দাবি করছেন তদন্তকারীরা।
৫ কোটি টাকা করে প্রোটেকশন মানি পেত কে? জানতে চায় ইডি

গরু পাচারের ক্ষেত্রে কোনও প্রোটেকশন মানি পেয়েছেন কি না? তাঁর আয়ের উৎস কী? একাধিক রাইস মিলের টাকা কোথায় জমা হয়েছে? এর সঙ্গে গরু পাচারের কোনও যোগ রয়েছে? এক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত এনামুল হক, সায়গল হোসেন, হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি ও আরও বেশ কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে প্রশ্ন করবে ইডি। এর জন্য ৬ সদস্যের একটি গঠন করা হয়েছে। তাঁরা এনামুল ও সায়গলের মন্তব্যকে সামনে রেখেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান।









