কখনও রাজনীতি, কখনও অভিনয়, প্রায়শই খবরের আঙিনায় জোর চর্চা চলে যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে নিয়ে। বিনোদনের দুনিয়ায় নাম লিখিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখলেও পরবর্তীতে চলে আসেন রাজনীতির দুনিয়াতেও। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়েই নামেন ভোটের ময়দানে। কিন্তু হটাৎ করে রাজনীতি ছেড়ে দেবার কথা ঘোষণা করেছিলেন গতকাল।
আরও পড়ুন: আর্থিক তছরুপ মামলায় দেবকে তলব ইডির, কি বললেন মিঠুন চক্রবর্তী?



বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী জানান, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ইস্তফার চিঠি পাঠিয়েছেন। মমতা অনুমতি দিলে সেই চিঠি তিনি সংসদের স্পিকারকেও পাঠাবেন বলে জানান। আর এবার তিনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজের সাংসদ পদে থাকার পর থেকে তাঁর কাজের হিসেব দিলেন। সেই হিসেব দিয়ে তিনি লিখলেন,

‘‘আগামী দিনে আমি সক্রিয় রাজনীতিতে থাকি বা না থাকি, আমার কাজের মাধ্যমে নিশ্চিতরূপে মানুষের হৃদয়ে থেকে যাব।’’ তিনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে ঠিক কি লিখেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হল। “আমি মিমি চক্রবর্তী। আমার জীবনঅধ্যায়ের অধিকাংশ সময় অভিনয় জগতে থেকে মানুষকে মনোরঞ্জন দিতে সক্ষম হয়েছি।


কিন্তু বিগত ৫ বছর, বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ গণতন্ত্রের একজন সাংসদ রূপে যতটা কাজ সাধারণ মানুষের জন্যে করতে পেরেছি, মানুষের করের টাকা সঠিক ভাবে ব্যবহার করে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি, সৎপথে থেকে মাথা উঁচু করে এগিয়ে গেছি… সেই সফরের কথা মনে করলে মারাত্মক আত্মতুষ্টি হয়। তাই আনন্দের সাথে বিগত পাঁচ বছরের আমার সাংসদ রূপে যাবতীয় কাজের খতিয়ান আজ জনসমক্ষে তুলে ধরলাম।
সাংসদ হয়ে কি কি কাজ করেছেন মিমি? জানালেন নিজের ফেসবুকে

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা আমার নেত্রী, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে, তার স্নেহের হাত আমার মাথায় সর্বক্ষণ রাখবার জন্য। আগামী দিনে আমি সক্রিয় রাজনীতিতে থাকি বা না থাকি, আমার কাজের মাধ্যমে আমি নিশ্চিতরূপে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় থাকব। (COVID-এর কারণে সেই সময় ফান্ড আসা বন্ধ ছিলো )। “কুছ তোহ লোগ কাহেনগে, লোগো কা কাম হে কেহনা!”







