নজরবন্দি ব্যুরো: গরমের তীব্রতায় হাসফাঁস অবস্থা বঙ্গবাসীর। সকাল থেকেই চড়া রোদ নাভিশ্বাস তুলছে। বাড়ির বাইরে বেরোনোটাই যেন দুষ্কর হয়ে উঠছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। বিভিন্ন জেলায় আবার তাপপ্রবাহের সমান অস্বস্তি বজায় থাকবে। এখন কেবল বৃষ্টির অপেক্ষা! গরম থেকে রেহাই দিয়ে কবে হবে বৃষ্টি? এনিয়ে কি জানাল আবহাওয়া দফতর?
আরও পড়ুন: Weather Update: তাপপ্রবাহের কবলে দক্ষিণবঙ্গ, একসপ্তাহ দহনজ্বালায় ভুগবে বঙ্গবাসী


আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতায় তাপমাত্রা বাড়ার সতর্কতার রয়েছে। আগামী কয়েকদিন সকাল থেকেই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আগামী শনি ও রবিবার অর্থাৎ ৩ ও ৪ জুন সকাল থেকে গরম বাড়লেও বিকেলের দিকে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই বৃষ্টি তেমন স্বস্তিদায়ক হবে না দিনের পাশাপাশি রাতেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, আগামী সপ্তাহের বুধবার পর্যন্ত অস্বস্তিকর গরম বজায় থাকবে। এক সপ্তাহ একাধিক জেলায় লু বইতে পারে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতেও অস্বস্তিকর গরম বজায় থাকবে। এখনই স্বস্তির বৃষ্টির দেখা পাবে না সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে।



দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহ চলতে পারে। গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ আতঙ্ক ধরিয়েছিল। যদিও বাংলায় বড় কোনও প্রভাব ফেলেনি এই ঘূর্ণিঝড়। তীব্র শক্তিশালী হয়ে মায়ানমারে আছড়ে পড়েছিল মোকা। ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। এরই মধ্যে এবার জোড়া ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাষ দিয়েছে হাওয়া অফিস। ‘বিপর্যয়’ এবং ‘তেজ’- জোড়া ঘূর্ণিঝড় বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
গরমে পুড়ছে বাংলা, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা








