নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। এর পরেই জি সেভেনের মিত্র শক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেমট জো বাইডেন৷ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি এবং জাপানের প্রতিনিধিরা। প্রায় এক ঘন্টা ১০ মিনিট ধরে বৈঠকের পর এদিন আমেরিকার মানুষের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন জো বাইডেন। ভাষণে রাশিয়াকে হাতে নয়, ভাতে মারার চেষ্টা করেন তিনি। রাশিয়ার উপর একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা সমর্থন করেনা আমেরিকা, কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা বাইডেনের।


আমেরিকায় থাকা রুশ ব্যাংকের সমস্ত সম্পত্তি ফ্রিজ করেছে বাইডেন প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ কথা জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এই যুদ্ধ শুরু করেছেন, তাঁকে ফল ভুগতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই মুহূর্তে যুদ্ধ এড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূ্র্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
বক্তব্যের মাধ্যমে রাশিয়ার প্রতি তীব্র শ্লেষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বাইডেন। সোজাসুজি জানিয়েছেন ইউক্রেনের ওপর এই অনভিপ্রেত রুশ হামলাকে কোনভাবেই সমর্থন করেনা আমেরিকা। এরপরেই রাশিয়ার সঙ্গে রপ্তানি আরও সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগের থেকে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তিনি। সমস্ত রকম রপ্তানি ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিল আমেরিকা।
অন্যদিকে ভারত নিয়েও কমবেশি বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, রাশিয়ার পক্ষ না নিয়ে ভারত যদি আমেরিকার পক্ষ নেয় সেক্ষেত্রে কী করা হবে? এ প্রসঙ্গে বাইডেনের বক্তব্য, ভারতের সঙ্গে কথা হচ্ছে। কিন্তু এখনও অবধি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, শুক্রবার ভারতীয় সময় রাত ১১টা নাগাত মোদি এবং পুতিনের কথোপকথনের খবর প্রকাশ্যে আসে।


রাশিয়ার পক্ষ না নিয়ে ভারত যদি আমেরিকার পক্ষ নেয়….. কি বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে বলা হয়েছে, শুরুতেই রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্কট বর্তমানে কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে, তা মোদীকে বিস্তারিত জানান পুতিন। এর পরেই মোদী বলেন, রাশিয়া এবং ন্যাটো গোষ্ঠীর মধ্যে ‘মতভেদ’ সুস্থ আলোচনার মধ্যে সমাধান করা সম্ভব। তবে তার আগে হিংসা থামানোর আর্জি জানান মোদী। তিনি পুতিনকে বলেন, সমস্যার সমাধানে সব পক্ষকেই আগে উদ্যোগ নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার পরিসর তৈরি করতে হবে।







