নজরবন্দি ব্যুরোঃ হবু শিক্ষকদের জন্যে সুখবর, অগুনতি অভিযোগের জেরে নয়া সিদ্ধান্ত নিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কাট-অফ স্কোরের উপরে নম্বর থাকা সত্ত্বেও বহু প্রার্থীর তালিকায় নাম নেই বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণে তাদের অনলাইন ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টস আপলোড রিজেক্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল।
আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৪ জনের, আজ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৭৬৬।


এছাড়াও বহু চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন ভেরিফিকেশন করার পরেও ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনও তালিকাতেই তাঁদের নাম নেই। সেই কারনেই হবু শিক্ষকদের জন্যে সুখবর দিয়ে নয়া সিদ্ধান্ত নিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের তরফে এদিন সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।
উল্লেখ্য, আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চের রায় অনুযায়ী, ১০ জুলাই কমিশন দু’সপ্তাহ ধরে অভিযোগ গ্রহণ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু পরে ২০ জুলাই ডিভিশন বেঞ্চ চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ গ্রহণের সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করার নির্দেশ দেয়। এছাড়াও রায়ে বলা হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া জারি থাকলেও উচ্চ প্রাথমিকে ডিভিশন বেঞ্চের অনুমতি ছাড়া নিয়োগ করা যাবে না কাউকে।
হবু শিক্ষকদের জন্যে সুখবর, অগুনতি অভিযোগের জেরে নয়া সিদ্ধান্ত কমিশনের।
উচ্চ প্রাথমিকের মামলাটি চলছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। দীর্ঘদিন ধরে চাকরির আশায় দিন গুনছেন কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী। দিন কয়েক আগেই এসএসসির প্রকশিত করা প্রার্থী তালিকায় অসঙ্গতির অভিযোগে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তার কয়েকদিনের ভেতরেই আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রার্থীদের নাম প্রাপ্ত নাম্বার সহ এসএসসি’র তরফে প্রকাশ করা হয় আরও একটি তালিকা।


সেখানে যাঁদের নাম ওঠেনি তাদেরও নিজেদের ডকুমেন্ট নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছিল। তার পরেও ওই মেধাতালিকা নিয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন কিছু মানুষ। তবে সেবারের মতো নিয়োগে গ্রিণ সিগন্যাল দিয়েছিল আদালত। সেই মতো হাজার হাজার চাকরী প্রার্থী দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার অবসানে যাচ্ছিলেন ইন্টারভিউ দিতে। কিন্তু ইন্টারভিউর দিনেই নিয়োগে স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।







