নজরবন্দি ব্যুরোঃ উচ্চ প্রাথমিক শুনানিতে অব্যাহত ঢিলেমি! উচ্চ প্রাথমিকের গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হল কলকাতা হাইকোর্টে। ইচ্ছামত টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা প্রভৃতি অভিযোগে জেরবার আপার প্রাইমারি নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি আজ শুরু হয় দুপুর ২ টো নাগাত। আক্তারুল ইসলাম বনাম রাজ্য সরকার এবং ভানু রায় বনাম রাজ্য সরকার। এই দুটি মামলা বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে শুনানি হয়।
আরও পড়ুনঃ মমতার মাস্টারস্ট্রোকে বিপাকে দিলীপরা! কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি।


উচ্চ প্রাথমিক শুনানিতে অব্যাহত ঢিলেমি! আজও শুনানির শুরুতে বলতে ওঠেন আডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। এবং যথারীতি বিগত কয়েকদিনের ধারা অব্যাহত রয়েছে এদিনও। আজও বলা শেষ হয়নি কিশোর দত্তের। সময় শেষে বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন পরবর্তী শুনানি-র তারিখ। পরবর্তী শুনানি হবে ২৯ শে সেপ্টেম্বর। শুনানি শুরু হবে বিকেল ৩টের সময়।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য একে একে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি বঞ্চনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলি তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভানু রায় মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের আর এক আইনজীবী ফিরদৌস শামিম প্রায় ৪০০ পাতার সাপ্লিমেন্টরি জমা দেন। এরপর বিচারপতি মামলাকারীদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন। কি করলে সব কিছুর সমাধান হতে পারে তা কোর্টের সামনে বিশদে ব্যাখ্যা করতে।
সেইমত পরের শুনানিতে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবীরা বিচারপতিকে একাধিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বলেন পাহাড় প্রমান দূর্নীতি হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে। তাই স্বচ্ছতার সাথে পুনরায় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। এরপর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি রুল গুলি পেশ করেন।


পাশাপাশি অ্যাডভোকেট জেনারেল এই সংক্রান্ত যত মামলা রয়েছে তাঁর একটা তালিকা তুলেদেন বিচারপতির হাতে। বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, আক্তারুল বা ভানু রায়ের যে মামলা চলছে এই মামলায় যা অর্ডার হবে সেই রায় কার্যকর হবে এই ধরনের যাবতীয় মামলার ক্ষেত্রে। জানা যায় সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার রিট পিটিশন পেন্ডিং রয়েছে।







