নজরবন্দি ব্যুরো: দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে চার আদিবাসী মহিলাকে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করাতে দণ্ডি কাটানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মাস দুয়েক আগে ওই ঘটনা গোটা রাজ্যেই শোরগোল ফেলেছিল। এ বার পঞ্চায়েত ভোটে সেই চার আদিবাসী মহিলার এক জনকে প্রার্থী করল শাসকদল।
আরও পড়ুন: Panchayat-র আগেই অশান্তির ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল, ‘পিস রুম’ খোলা হল রাজভবনে


বিরোধীদের কটাক্ষ, শাসকদল যে ঘটনা ঘটিয়েছিল, তার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতেই এই চমক। গতকাল দুপুর থেকেই নিজের এলাকায় প্রচার শুরু করেন শিউলি। নিজে তুলি ধরে দেওয়াল লেখেন। দণ্ডিকাণ্ডের পর আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষরা তৃণমূল থেকে সরে গিয়েছে এমন তত্ত্ব খাড়া করেছিল বিজেপি সহ বিরোধীরা।

যদিও শিউলি মার্ডি বলেন, “কোনও আদিবাসী মানুষ সরেনি । বরং আরও বেশি তৃণমূলে আস্থা রেখেছেন তাঁরা। দিদি যেভাবে উন্নয়ন করেছে সেই জায়গা থেকে তৃণমূলের উপরই ভরসা করছে আদিবাসী সহ সাধারণ মানুষ।”



এর আগে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর শিউলি বলেছিলেন, ‘‘আমার স্বামী ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতে গোফানগরে তৃণমূলের প্রধান হয়েছিলেন। তৃণমূল এলাকার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট ও মানুষের কাজ করেছে। আমি এলাকার মানুষের উন্নয়ন করতে চাই।’’
অপর দিকে বিজেপি যদিও শিউলির প্রার্থী হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছে। বিজেপি নেতা বাপি সরকার বলেন,
তপনের সেই দণ্ডি কাটা শিউলিকেই প্রার্থী করল তৃণমূল, কী বললেন প্রার্থী

‘‘এটা জুতো মেরে গরু দান। আদিবাসী মহিলাদের যে ভাবে অপমান করা হয়েছিল প্রকাশ্য রাস্তায় দন্ডি কাটিয়ে, তা এই সমাজ কখনও ভুলে যাবে না এবং তাঁদের যথাযথ জবাব আগামী পঞ্চায়েত ভোটেই দিয়ে দেবে আদিবাসী সমাজ।’’







