নজরবন্দি ব্যুরোঃ উত্তরাখণ্ডে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ, পদত্যাগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। উত্তরাখণ্ডে চরমে পৌঁছল শাসকদল বিজেপির দলীয় অসন্তোষ। ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। রাজ্যে বিধানসভা নির্বচনের ঠিক এক বছর আগে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগে কার্যত অস্বস্তিতে সে রাজ্যের বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যপাল বেবি রানি মৌর্য্যর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।


সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’ পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া অবধি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কাজ চালাবেন তিনি। গতকালই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন রাওয়াত। সেই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি দেরাদুন ফেরেন। এরপর পদত্যাগ করেন রাওয়াত। আগামী বছরই নির্বাচন হবে বিজেপি শাসিত রাজ্যটিতে। তাই রাওয়াতের পদত্যাগে এটা পরিষ্কার যে অন্তর্কলহ চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেছে।
সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে রাওয়াত ইস্তফা না দিলে বিধায়কদের একাংশ রীতিমতো বিদ্রোহ করতেন। এদিকে আগামী শনিবার উত্তরাখণ্ড রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক রয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তথা সহ সভাপতি রমণ সিং বৈঠকে থাকবেন। এটা ঘটনা রাওয়াতের পদত্যাগের একদিন আগেই উত্তরাখণ্ড বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছিল, দলে কোনও বিবাদ নেই। পুরো পাঁচ বছরই ক্ষমতায় থাকবেন রাওয়াত। উত্তরাখণ্ড বিজেপির সভাপতি বংশীধর ভগতও নেতৃত্ব বদলের খবরে গুরুত্ব দেননি। তবে এদিনের ঘটনায় বিজেপি শিবিরের ফাটল স্পষ্ট হয়ে উঠল।
উত্তরাখণ্ডে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ, পদত্যাগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। এর আগে গত শনিবার রমণ সিং এবং রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা দুষ্মন্ত কুমার গৌতম হঠাত্ দেরাদুনে গিয়ে রাজ্য বিজেপির কোর গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ডাকা হয় দলীয় বিধায়কদের। উত্তরাখণ্ড বিধানসভার বাজেট অধিবেশনও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই মুলতুবি করে দেওয়া হয়। এখন দেখার কিভাবে ড্যামেজ কন্ট্রোল করে শাসকদল বিজেপি।









