তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্তদের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি বুঝেছিলাম, এবার সরব সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সিঙ্গুরের মাস্টারমশাইকে একডাকে চেনে গোটা রাজ্য। গত বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকেই টিকিট দেয়নি প্রাক্তন দল তৃণমূল। পরে বিজেপিতে যোগদান করে সিঙ্গুর থেকেই প্রার্থী হয়েছেন। লড়াই মুখোমুখি হয়েছিল তাঁরই শিষ্য বেচারাম মান্না। কিন্তু ২১ এর নির্বাচনে বেচারামের কাছে ২৫ হাজার ভোটে পরাজিত হন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুনঃ প্রতিক্রিয়ার ভাষা বদলে যাবে, রাজভবনের কার্যকলাপ নিয়ে কটাক্ষ কুণালের

এখন প্রায় দেড় বছরের মাথায় তৃণমূল ও বিজেপির থেকে দূরত্ব বেড়েছে তাঁর। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন সিঙ্গুরের প্রাক্তন বিধায়ক। তৃণমূল তাঁকে টিকিট না দেওয়ার বিষয়টি একেবারেই মেনে নিতে পারেননি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। এখন মুখ খুলে বললেন, তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্তদের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি বুঝেছিলাম। তাই সেই দলকে আমি মনে প্রাণ গ্রহণ করতে পারিনি।

তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্তদের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি বুঝেছিলাম, এবার সরব সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই
তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্তদের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি বুঝেছিলাম, এবার সরব সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ যতটা প্রয়োজন ততটা হয়নি। ফলে এই দুই দল থেকেই আমি নিজেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছি। কিন্তু দীর্ঘ সক্রিয় না থাকার পরে কেন একঠা বললেন তিনি? মাস্টারমশাইয়ের কথায়, বিজেপির তরফে কেউ যোগাযোগ রাখে না বললে ভুল হবে। আবার রাখে বললেও ঠিক হবে না।

15 9

রাজনৈতিক সক্রিয়তা দেখানোর মতো কেউ যোগাযোগ রাখেনি। দাবি প্রাক্তন বিধায়কের। কারণ, তাঁর মনে হয়েছে তাঁর দলবদলের বিষয়টি শুরুর দিকে মেনে নিতে পারেননি স্থানীয় নেতারা। সেকারণেই সেভাবে সক্রিয় হতে দেখা যায়নি তাঁদেরকে। যেটুকু করতে হয়, সেটুকু করেছেন।

তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্তদের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি বুঝেছিলাম, এবার সরব সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

16 7

বিধানসভা নির্বাচনের পর সিঙ্গুরে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে। প্রথম সারীর নেতারা সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকলেও দেখা যায়নি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে। তখন থেকেই মনে হয়েছিল এবার রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন মাস্টারমশাই। সেটা স্পষ্ট করে দিলেন সিঙ্গুরের প্রাক্তন বিধায়ক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত