নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুই মাস আগে রাজ্যপাল পদে এসেছিলেন ডঃ সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক দেখা অনেকেই মনে করেছিলেন ধনকড় পর্বের অবসান হয়ে এবার রাজ্য ও রাজভবনের দূরত্ব মিটবে। কিন্তু তা হল না। শনিবার সুকান্তের সঙ্গে ঘন্টা দুয়েকের বৈঠকের পরেই একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে সরব হয়েছে শাসক দল তৃণমূল। প্রতিক্রিয়ার ভাষা বদলে যাবে। কটাক্ষ কুণালের।


এদিন তৃণমূল মুখপাত্র বলেন, জগদীপ ধনকড় যা ছিলেন, যা আচরণ ছিল, তাঁকে যারা পাঠিয়েছিলেন, ডঃ আনন্দ বোসকে তাঁরাই তো পাঠিয়েছিলেন। ফলে দুই জনের কর্মপদ্ধতি আলাদা। কিন্তু দুই জনের উৎসস্থল তো একই। ফলে আলাদা উদ্দেশ্য হবে, সেটা না ভাবাই ভালো। কিন্তু তিনি যতক্ষণ সৌজন্য দেখাচ্ছেন বাস্তবে থাকছেন, রাজ্যের সঙ্গে সৌজন্য রাখছেন, ততক্ষণ নিশ্চিতভাবে সেই পাল্টা সৌজন্য চলবে। যদি কোনও রাজ্যপাল রীতি বহির্ভূতভাবে রাজ্য সরকারের ওপর নজরাদারি করেন এবং রাজ্যের আমলাদের একটা অন্যভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করেন, তাহলে প্রতিক্রিয়ার ভাষা সময়ের সঙ্গে বদল হবে।

পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, রাজ্যপালরা কোনদিন অসৌজন্য প্রকাশ করেছেন এমনটা কোনদিনও হয়েছে। জগদীপ ধনকড়ের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ছিল তৃণমূল। এমনি তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরের জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু এখন সংবিধানের ওপর হামলা হচ্ছে, এখনও রাজ্যপাল নীরব। এটা দেখে আশ্চর্য হতে হচ্ছে।
প্রতিক্রিয়ার ভাষা বদলে যাবে, আগামী দিনে বাড়বে সংঘাত?

রাজনৈতিক মহলের ব্যাখা, ধনকড়ের কার্যকলাপ নিয়ে তৃণমূল অখুশি হলেও খুশি ছিল বঙ্গ বিজেপি। তাই লা গণেশন ও পরে সিভি আনন্দ বোসের কার্যকলাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী থেকে অন্যান্য বিজেপির নেতারা। গোটা বিষয় নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বামেরা। সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের কথায়, বিজেপি, তৃণমূলের কথা শুনে চললে তাহলে তুমি বন্ধু। নাহলেই তুমি শত্রু। এখানে সব এক। সরকারের কার্যকলাপ মুখ বুজে সহ্য করলে নানা ধরনের পুরষ্কার দেওয়া হবে। বিরোধিতা করলে শাস্তি দেওয়া হবে।









