নজরবন্দি ব্যুরোঃ টিকার দ্বিতীয় ডোজ মিলবে কেবল সরকারি হাসপাতালে, জানিয়ে দিলো রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেই মমতা জানিয়েছিলেন এই মুহুর্তে তাঁর প্রথম কাজ কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। রাজ্যের টিকার চাহিদার কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে তিনি চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। রাজ্যে উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ন্ত ভ্যাকসিন। এই পরিস্থিতি রাজ্যের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যাঁরা আগে টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন তারাই অগ্রাধিকার পাবেন দ্বিতীয় ডোজের জন্য।
আরও পড়ুনঃ নদীতে ভাসছে ‘লাশ’! বিহার উত্তরপ্রদেশের পর একই ছবি মধ্যপ্রদেশে


জানানো হয়েছিল তাঁদের আগে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করে দেবে রাজ্য সরকার। সেই মতো গতকাল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে সেই তালিকা। প্রশাসনের তরফ থেকে টিকার বিষয়ে সোমবার জানানো হয়েছিল কোন বেসরকারি নার্সিংহোম নয়, শুধু মাত্র সরকারি হাসপাতালেই মিলবে টিকার দ্বিতীয় ডোজ। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো যঁরা টিকার প্রথম ডোজ কোন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়েছিলেন, দ্বিতীয় ডোজ তারই নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালে নিতে হবে।
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, যাঁরা প্রথম ডোজ পেয়েছেন, কিন্তু দ্বিতীয় ডোজটি পাননি, আগামী কয়েকদিনে দ্বিতীয় ডোজ টিকায় তাঁরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবেন। প্রত্যেকটি বেসরকারি হাসপাতালে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য যাঁরা অপেক্ষা করছেন, তাঁদের কাছাকাছি সরকারি হাসপাতালে যুক্ত করা হবে। বেসরকারি হাসপাতালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তা করা হবে। সরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে যাঁরা প্রথম ডোজ পেয়েছেন, তাঁরাও যথাসময়ে দ্বিতীয় ডোজ পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে টিকার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। যে রকম যোগান মিলবে সেই অনুযায়ী টিকা দেওয়া হবে রাজ্যবাসীকে।
রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা পুরসভা, নিউটাউন কলকাতা ডেভলপমেন্ট অথরিটি এবং বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বাসিন্দারা, যাঁরা প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দ্রুত দিয়ে দেওয়া হবে। এবং তা দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। যাঁদের প্রথম ডোজ নেওয়ার ৫৬ দিনের বেশি হয়েছে কেভিশিল্ডের ক্ষেত্রে এবং ৪২ দিনের বেশি হয়েছে কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে প্রথমে তাঁরাই এই টিকার দ্বিতীয় ডোজটি পাবেন।


কোন কোন সরকারি হাসপাতালে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজটি নেওয়া যাবে, তার একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই তালিকায় থাকা যে কোনও বড় সরকারি হাসপাতালে গেলেই টিকার দ্বিতীয় ডোজটি মিলবে। টিকা পাওয়ার জন্য ভোটার কার্ড/আধার কার্ড পাসপোর্ট, প্যান কার্ড ইত্যাদি এবং প্রথম ডোজ নেওয়ার প্রমাণপত্র নিয়ে যেতে হবে। রাজ্য সরকার আরও নির্দিষ্টভাবে এই ব্যবস্থা চালু করেছে। যাঁদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি রয়েছে, তাঁরা প্রথম এই টিকা পাবেন। বাকি সকলেও পাবেন কিন্তু তা নির্ভর করছে কেন্দ্র থেকে আসা টিকার পরিমানের ওপর।







