নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাকরীর দাবিতে ফের সল্টলেকে আচার্য ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ হবু শিক্ষকদের। সোমবার বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখোমুখি হতে হয় তাঁদেরকে। হবু শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ধরপাকড় চলে অনেকক্ষণ। এরপর অনেককে চ্যাংদোলা করে নিয়ে যায় পুলিশ। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
আরও পড়ুনঃ জীবিত রয়েছেন নেতাজী? কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট


২০১৬ সালে এসএসসির মেধাতালিকায় নাম থাকলেও চাকরী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন হবু শিক্ষকরা। এরপর ২৪৩ দিন ধরে প্রেস ক্লাবের সামনে চলে অনশন। পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগের। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও হয়নি নিয়োগ। ফের আন্দোলনের পথি বেছে নিতে হয়েছে হবু শিক্ষকদের। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁরা। কিন্তু হাজরা মোড়েই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। গ্রেফতারও করা হয় তাঁদের।
চাকরী প্রত্যাশীদের বক্তব্য, আজ স্কুল গুলো শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এদিকে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা রাস্তায় বসে আছে তাঁদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে। শীত, ঝড়, মহামারীর প্রচণ্ডতাকে উপেক্ষা করে তাঁদের দিন কাটে রাস্তায়। ন্যায্য চাকরীর দাবীতে মেয়েদের রাত কাটে অনশন মঞ্চে। তাঁদের প্রশ্ন, যে স্কুল সার্ভিস কমিশন আজ আইন দেখাচ্ছে তাঁরা কোন আইনে নিজের গেজেটকে লঙ্ঘন করে নম্বর প্রকাশ না করে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়? কোন আইনে পিছনে থাকা প্রার্থীরা আগে নিয়োগ পান?
হবু শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ধরপাকড়, চাকরী দাবীতে রাজপথে হবু শিক্ষকরা



হবু শিক্ষকদের বক্তব্য, স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজের গেজেটকে মান্যতা দিয়েই ১:১.৪ অনুপাতে নিয়োগ করে। আইনি পথ মেনে মেধাতালিকাভুক্ত সকলের চাকরী সুনিশ্চিত করুক। তবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ণ হবে। তাদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন। মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রেখেই ফের আন্দোলনে শামিল হয়েছেন তাঁরা।







