নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার সকাল ১১ টা ১৭ মিনিটে পরলোকে যাত্রা করেছেন বিখ্যাত চিত্র পরিচালক তরুণ মজুমদার। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকাহত গোটা সিনে দুনিয়া। তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Tarun Majumder: বাংলা চলচ্চিত্রে নক্ষত্রের পতন, প্রয়াত তরুণ মজুমদার


মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় জানিয়েছেন, বিশিষ্ট চিত্রপরিচালক তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে আমি গভীর শোকপ্রকাশ করছি। তিনি আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। ভিন্নধারার রুচিসম্মত সামাজিক চলচ্চিত্র নির্মাণে তরুণ মজুমদার উজ্জ্বল নিদর্শন রেখে গিয়েছেন। তাঁর ছবিতে রবীন্দ্রসংগীতের প্রয়োগ দর্শককে আবিষ্ট করে রাখে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তরুণ মজুমদার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র বালিকা বধূ, শ্রীমান পৃথ্বীরাজ, ফুলেশ্বরী, দাদার কীর্তি, ভালবাসা ভালবাসা, সংসার সীমান্তে, গণদেবতা, শহর থেকে দূরে, পথভোলা, চাঁদের বাড়ি, আলো ইত্যাদি উল্লেখের দাবি রাখে। তিনি পদ্মশ্রী, জাতীয় পুরস্কার, বিএফজেএ পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তরুণ মজুমদারের পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।


দীর্ঘ দিন ধরেই কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন বাংলা ছবির বিখ্যাত পরিচালক তরুণ মকজুমদার। গত ১৪ জুন থেকে কিডনি ও ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবশেষে সোমবার সকাল ১১ টা ১৭ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রে নক্ষত্রের পতন হল এদিন।
তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী

রবিবার থেকেই অবশ্য শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করেছিল বিখ্যাত পরিচালকের। ১০০ শতাংশ ভেন্টিলেটরি সাপোর্টে রাখ্যা হয়েছিল। বেড়ে যায় শ্বাসকষ্ট। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। ডায়ালিসিসও করতে হয়েছিল। কিন্তু শেষ চেষ্টা করেও রক্ষা করা গেল না।







