নজরবন্দি ব্যুরোঃ দীর্ঘ দিন ধরেই কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন বাংলা ছবির বিখ্যাত পরিচালক তরুণ মকজুমদার। গত ১৪ জুন থেকে কিডনি ও ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবশেষে সোমবার সকাল ১১ টা ১৭ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রে নক্ষত্রের পতন হল এদিন।
আরও পড়ুনঃ Mithun Chakraborty: সুস্থ মিঠুন, ফিরছেন কলকাতায়, যাবেন বিজেপির দফতরে


রবিবার থেকেই অবশ্য শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করেছিল বিখ্যাত পরিচালকের। ১০০ শতাংশ ভেন্টিলেটরি সাপোর্টে রাখ্যা হয়েছিল। বেড়ে যায় শ্বাসকষ্ট। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। ডায়ালিসিসও করতে হয়েছিল। কিন্তু শেষ চেষ্টা করেও রক্ষা করা গেল না।

তরুণ মজুমদারের বাবা বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। ১৯৩১ সালের ৮ জানুয়ারি অধুনা বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তরুণ মজুমদারের। কিন্তু পড়াশোনা এবং বেড়ে ওঠা কলকাতাতেই। সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে ছাত্র তরুণ মজুমদার পরে রসায়ন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।
বাংলা চলচ্চিত্রে নক্ষত্রের পতন, শেষ হল ‘তরুণ’ প্রজন্মের

১৯৫৯ সালের ‘চাওয়া পাওয়া‘ থেকেই সিনেমা জগতে কাজ শুরু। ১৯৬২ সালে ‘কাঁচের স্বর্গ’ ছবির জন্য জাতীয় পুরষ্কার পান তিনি। এরপর ‘পলাতক’, ‘গণদেবতা’, ‘বালিকা বধু’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বর’, ‘দাদার কীর্তি’ একের পর এক অসামান্য ছবি দিয়ে গেছেন সিনে প্রেমীদের জন্য। ৬০ বছরের সিনে দুনিয়ার যাত্রা আজ যেন এক লহমায় শেষ হয়ে গেল।









