নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত সপ্তাহের শুক্রবারের দুপুরে তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিবিআই। জীবনকৃষ্ণ সিবিআই কর্তাদের হাত থেকে ফোন পুকুরে ফেলে দেওয়ার কারণে ৭০ ঘন্টা ধরে ঝক্কি পোহাতে হয়েছিল সিবিআইকে। চলতি সপ্তাহের শুক্রবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তার ফোন বাজেয়াপ্ত করে আর ভুল করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সোজা গাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে লক করে দিলেন।


এখানেই শেষ নয়। প্রায় ১৪ ঘন্টা ধরে তল্লাশির পর সিবিআই তাপস সাহার বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায়। সিবিআই বের হতেই নতুন ফোন কিনতে ছুটলেন বিধায়ক। সাড়ে আটটা নাগাদ স্থানীয় একটি দোকান থেকে একটি নতুন সেট কেনেন। তবে সেটি স্মার্ট ফোন ছিল না।

সিবিআইইয়ের তরফে দীর্ঘ অভিযানে খুঁজে দেখা হয় তাপস সাহার বাড়ি ও আশেপাশের এলাকা। এমনকি বিআর আম্বেদকর কলেজে গিয়ে তল্লাশি চালায় সিবিআই। কিন্তু কোনও তথ্য মেলেনি। বিধায়কের কথায়, সিবিআই বাড়ির রান্নাঘর, বাথরুমেও তল্লাশি চালিয়েছে। ওরা ভেবেছিল আমার বাড়ি থেকে ১০ থেকে ২০ কোটি টাকা, ২০ কেজি সোনা পাওয়া যেব। কিন্তু কিচ্ছু পায়নি।
সিবিআই বের হতেই নতুন ফোন কিনতে ছুটলেন বিধায়ক, রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার তিনি

পরে ফোন কিনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আজ ইদ। অনেককে শুভেচ্ছা জানাতে হবে। তাই মোবাইলটা বড্ড দরকার। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সিবিআই তাঁর দুটি ফোন বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গেছে। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, সিবিআই তদন্তের মুখোমুখি হয়ে আসলে তিনি নিজে প্রতারিত হয়েছেন। চাকরি দেওয়ার নাম করে কারোর কাছ থেকে টাকা তিনি নেননি। বরং রাজনৈতিকভাবে তাঁর দলের বেশ কয়েকজন নেতার চক্রান্তের শিকার হয়েছেন তিনি।









