নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় ১৪ ঘন্টা ধরে তল্লাশি অভিযানের পর শনিবার তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সিবিআই। এরপরেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল বিধায়ক। সেই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন জেলা পরিষদের সদস্যা টিনা সাহা। টিনার বিরুদ্ধে তাপসের বিস্ফোরক অভিযোগ, ৪ বছরে ৪০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন টিনা।
আরও পড়ুনঃ Panchayet Election 2023: অগাস্ট মাসে হতে পারে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন, খবর কমিশন সূত্রে


বিধায়ক তাপস সাহা শুরু থেকেই অভিযোগ তুলেছেন, দলের একাংশের ষড়যন্ত্রের কারণেই প্রতারণার শিকার হয়েছেন তিনি। এমনকি সিবিআই অফিসাররা বলেছেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। এমনকি দলেরই সদস্য সিবিআইকে খবর দিয়েছে। এমনটাও অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক। বিধায়কের অভিযোগ, ৪ বছরে ৪০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। পৃথিবীকে এমন আর কেউ নেই। ওঁর ডিগ্রি হিসেবে লেখা থাকে এমএ পাশ। অথচ পৃথিবীর ইতিহাসে সেই ইউনিভার্সিটি তৈরি হয়নি।

যদিও টিনা সাহার মন্তব্য, উনি আমাদের পরিবার সম্পর্কে ভালো করে জানেন। উনি আমাদের চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছিলেন। কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, সত্যি বের করতে চাইলে আয়কর দফতরকে নিয়ে আমার বাড়ি রেড করান। সমস্ত সত্য উদঘাটন হবে। আশাবাদী টিনা সাহা।
উল্লেখ্য, ১৮ তারিখ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই গতকাল সিবিআইয়ের ৮ জনের একটি দল উপস্থিত হয়। প্রায় ২৪ ঘন্টা ধরে তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধায়কের বাড়ি ও তার আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন সিবিআই অফিসাররা। রাতে তথ্য সংগ্রহ করতে বিআর আম্বেদকর কলেজে উপস্থিত হন সিবিআই কর্তারা। কিন্তু বিধায়কের দাবি, সমস্ত বাড়ি তন্য তন্য করে তল্লাশি করেও কোনও টাকা ও সোনার গয়না মেলেনি।


৪ বছরে ৪০ কোটি টাকার মালিক, দলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তাপস

এদিন বিধায়কের ফোন দুটি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। শনিবার সকালেই তেহট্টের বাজার থেকে একটি ফোন কিনতে যান তৃণমূল বিধায়ক। তবে সেতি স্মার্ট ফোন নয়। বিধায়ক অবশ্য জানিয়েছেন, এর জন্য সিবিআইকে উত্তর দিতে তিনি নারাজ। তাঁর ব্যক্তিগত কাজের জন্যেই ফোনটি কিনেছেন তিনি।







