নজরবন্দি ব্যুরোঃ কঠিন লড়াইকে স্যালুট জানিয়েই কৃষি আইনের পক্ষে আলোচনা। কৃষকদের খোলা চিঠি দিলেন ৮৬৬ শিক্ষাবিদ। গত একমাসেরও বেশি সময়ধরে কৃষি আইন ৩ এর প্রতিবাদে দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদে বসেছেন দেশের কৃষকরা। তাঁদের সমর্থনে একে একে পা মিলিয়েছেন বহু মানুষ। প্রতিবাদের সুর চড়তেই কেন্দ্র আলচনায় বশ কৃষকদের সাথে। ৬ দফায় কৃষকদের সাথে এখনও পর্যন্ত আলচনায় বসেছে কেন্দ্র। তবে সরকারের শীর্ষ আমলা, তাবড় মন্ত্রী, কারও বোঝানোতেই নিজেদের অবস্থান থেকে নড়ছেন না কৃষকরা।
আরও পড়ুনঃ বর্ষবরণেই বিষাদ নামলো ডুয়ার্সের কোলে। গাড়ি উল্টে জখম বাঘ সওয়ারি উভয়।


নিজেদের দাবিতে এখনও অনড় দিল্লি-হরিয়ানা সিঙ্ঘু সীমান্তে বিক্ষোভরত কৃষকরা। এবার কৃষকদের বোঝাতে কেন্দ্রের হয়ে আসরে নাম লেন শিক্ষাবিদ বুদ্ধিজীবীরা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮৬৬ জন অধ্যাপক কৃষকদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন।সেখানে কেন্দ্রের আনা নতুন এই আইনগুলির ‘সুফল’ সম্পর্কে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন কৃষকদের। এসব মানার জন্য একাধিক যুক্তি দিয়েছেন তাঁরা।
চিঠিতে শিক্ষাবিদরা বলেছেন “আমরা সরকারের পাশেও আছি। কৃষকদের এই কঠিন লড়াইকে স্যালুট জানাই। কিন্তু কেন্দ্রকে সরকার বারবার কৃষকদের আশ্বাস করেছে জে,এই কৃষি আইঙ্গুলি আসার পরও নূন্যতম সমর্থন মুল্য বাতিল করা হবেনা। বরং,কৃষি আইনগুলি পরও নুন্যতম সমর্থন মুল্য বাতিল করা হবেনা।” তাঁরা এও জানান “মান্ডির বাইরেও অসল বিক্রির জন্য বিকল্প জায়গা পাবেন কৃষকরা। সেই সঙ্গে ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদের কৃষকদের কাছে প্রতিযগীতা মূলক বাজারে বেশি মূল্যের নিজেদের ফসল বিক্রির সুযোগ থাকবে” তবে মোদী সরকারের আনা আইনের খোলাখুলি সমালোচনা করেছেন তাঁরা।
যদিও শিক্ষাবিদদের আচমকাই এই চিঠি কোনভাবেই মন গলাতে পারেনি কৃষকদের। সিঙ্ঘু সীমান্তের কৃষক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন ৪ জানুয়ায়ির বৈঠক যদি সদর্থক মাত্রা নিয়ে না আসে তাহলে আরও তীব্র আন্দলনের পথে হাঁটবে দেশের কৃষকরা।


কঠিন লড়াইকে স্যালুট জানিয়েই কৃষি আইনের পক্ষে আলোচনা। কৃষকদের খোলা চিঠি দিলেন ৮৬৬ শিক্ষাবিদ। প্রায় একমাস ধরে চলছে কৃষকদের এই আন্দোলন। দিল্লির প্রচণ্ড শীতে রাজপথে ওতদিন ধরে নিজেদের দাবী নিয়ে বসে আছেন তাঁরা। কেন্দ্র প্রথমে অবহেলা করলেও পড়ে নড়ে চড়ে বসেছে কেন্দ্রও। তবে কৃষকরা দমছেন না । অপেক্ষা করছেন ৪ তারিকের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে। তাঁর পর হয়ত ঘোষণা করবেন আরও তীব্র আন্দলনের।







