অন্য়দিকে রাতের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৪ শতাংশ। আপাতত ২৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি।
২-৩ ঘণ্টার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা পাঁচ জেলায়, কি জানাচ্ছেন আবহাওয়াবীদরা। বিকেল থেকে সন্ধের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঝড় ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। আকাশ মেঘলা, বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। সেই পূর্বাভাস মিলিয়ে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ ছিল মেঘলা। কয়েকটি জায়গায় কয়েক ফোঁটা বৃষ্টিও হয়। দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ আলিপুর হাওয়া অফিস পূর্বাভাস দেয়, আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে।
বাড়ল রাতের তাপমাত্রা, বঙ্গে বিপদ, কোন আশঙ্কার কথা বলছেন আবহবিদরা? গত কয়েকদিন ধরে ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। তবে কতদিন স্থায়ী হবে শীত? তা নিয়ে সংশয়ে আবহবিদরা। এখানেই শেষ নয়, পরের পর ঘূর্ণিঝড় কেন ইদানিং বাংলার উপকূলে হানা দিচ্ছে তা নিয়েও বিশেষ পর্যবেক্ষণ চলছে। সব মিলিয়ে বঙ্গ শিয়র থেকে বৃষ্টি বিপদ এখনও কাটানো যাচ্ছে না।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ বৃহস্পতিবার সকালেও শীতের দাপট রাজ্যে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৩ ডিগ্রি। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ— কুয়াশা ঘেরা সকালে ভালই...
আদৌ কি থামছে বৃষ্টি? শীত নিয়ে কি জানাচ্ছেন হাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়ায়।মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, উত্তরবঙ্গের সব জেলা। উত্তরে রয়েছে শিলাবৃষ্টির সতর্কবার্তাও।
বৃষ্টি কাটিয়ে কবে দেখা মিলবে শীতের? কি বলছেন হাওয়া অফিস? ডিসেম্বরের শুরুতেই যে পারদ পতন হয়েছিল, এতটা কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে। ২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।