বিশেষত, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং পার্বত্য এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে এই বৃষ্টি শুক্রবার পর্যন্ত চলতে পারে। তবে, উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা আগামী পাঁচ দিনে ক্রমশ বাড়বে।
দক্ষিণবঙ্গে কুয়াশার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম। তবে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা বেশি হতে পারে। শহরের বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা ৪৪-৮৭ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ কেটে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে এখনও জাঁকিয়ে ঠান্ডার দেখা নেই। তবে আবহাওয়াবিদদের মতে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শীতের প্রকোপ বাড়বে। পশ্চিমি জেলাগুলোতেও তখন শীতের কামড় অনুভূত হবে।
কলকাতায় আপাতত সোমবার পর্যন্ত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। চুড়ান্ত আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি হবে। মঙ্গলবার থেকে কিছুটা বাড়তে পারে বৃষ্টি। শনিবার দিনের ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে কলকাতায়।
বেশ কেয়ক দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে, যা স্বাভাবিক। অপরদিকে আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।
বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। কিন্তু এর ফলে বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসব দুর্গাপুজোর আনন্দ মাটি হবে কিনা তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। যদিও আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এখনই এত আগে থেকে সেই পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।
আর মাত্র একদিন পরেই বাগদেবীর পুজো। এবছর ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ প্রজাতত্ন দিবসের দিন পড়েছে সরস্বতী পুজো। আর তাঁর আগেই আবহাওয়া পরিবর্তনের বড় পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস। এদিকে মাঘের শুরুতেই উধাও শীত। গতকাল থেকে কলকাতায় তাপমাত্রা বেশ অনেকটাই বেড়েছে। অন্যদিকে কুয়াশার সাদা চাদরে অদৃশ্য রাস্তাঘাট, গাড়িঘোড়া। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে এই কুয়াশা বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।