উপাচার্য নিয়োগের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিন জনের নাম পাঠাবে এই সার্চ কমিটি। তিন জনের মধ্যে একজনের নাম চূড়ান্ত করে আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে পাঠাবেন তিনি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন বলতেই প্রথমে পড়ুয়াদের সমবেত মিছিলের কথাই মাথায় আসে। সেখানে যে অধ্যাপকরা মিছিলে অংশ নেন না তা নয় একেবারেই। তবে দ্বায়িত্বে থাকা উপাচার্যকে রাতভর ধর্নাতে শেষ কবে দেখা গিয়েছে তা নিয়ে কিন্তু সন্দেহ রয়েছে। আর এবার প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বুধবার রাতভর ধর্নায় বসলেন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ, সহ-উপাচার্য অমিতাভ ভট্টাচার্য, ডিন সুবিনয় ভট্টাচার্য এবং রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু।
এই নিয়ে কটাক্ষ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল সুপ্রিম কোর্টকেও যদি মানতে না চান, সেটা তাঁর অভিরুচি। বিষয়টি কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। আমরা নিশ্চিতভাবে বিষয়টি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করব”।
তুঙ্গে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত! এহেন আবহেই রাজ্যের ১৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে যেই সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলি উপাচার্যহীন হয়ে ছিল, এবার সেইসব বিশ্ববিদ্যালয় গুলির জন্য রবিবার রাতে অন্তবর্তী উপাচার্য নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
পঞ্চায়েতের আগেই সরগরম রাজ্য! এহেন পরিস্থিতিতে উপাচার্য নিয়োগ কমিটি সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয়ে রাজ্যের কাছে জবাব চাইল আদালত। বেশ কয়েকদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে শোরগোল রাজ্য-রাজনীতি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রাজ্যের কাছে উপাচার্য নিয়োগের কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলল আদালত।
রাজ্যপালের চেয়ারটা সম্মানের চেয়ার। কিন্তু দফতর চালায় শিক্ষা দফতর। এমনকি আমিও কখনও এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করি না। কিন্তু একথা আমিও বলতে পারি না যে আমার কথা না শুনলে পদক্ষেপ নেব। আমাদের সকলের মনে রাখা দরকার আমাদের সকলের একটা লিমিটেশন রয়েছে। এখন ৪২ টা বিশ্ববিদ্যালয় চলছে। সেই প্রথা মেনে এখনও তিনি আচার্য পদে রয়েছেন। সেটা চলতে পারে না।