বছর ঘুরলেই ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন। উত্তর-পূর্বের বিধানসভা নির্বাচনে আরও একবার নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। তাই নির্বাচনের আগে রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা করল তৃণমূল। নয়া সভাপতি হলেন পীযূষ কান্তি বিশ্বাস। নির্বাচনের আগে এটা বিরাট পদক্ষেপ।
যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন বা দেননি তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে কাজ করতে আগামী দিনে বদ্ধপরিকর। যতদিন না ত্রিপুরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হচ্ছে ততদিন তৃণমূল একচুলও জমি ছাড়বে না। যে মানসিকতা নিয়ে লড়াই শুরু করেছিলাম সেই মানসিকতা নিয়েই আগামী দিনে আপনাদের স্বার্থে লড়ব।
দলের তরফে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়েছে। তাই এই জয় তাঁকে সুনিশ্চিত করতে হত। সকাল থেকে নিজের কেন্দ্রে এগিয়ে ছিলেন। বেলা গড়াতেই টাউন বরদোয়ালি কেন্দ্রে জয়লাভ করে মুখ্যমন্ত্রী পদ সুনিশ্চিত করলেন মানিক সাহা। অন্যদিকে, বিজেপি থেকে ফিরেই চমক দেখালেন সুদীপ রায়বর্মন। আগরতলা আসনে বিরাট জয় কংগ্রেসের। চারটি বিধাকনসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩ টি দখলের দিকে বিজেপি। একটি আসনে জয়লাভ করে চমক দিলেন সুদীপ।
চার কেন্দ্র সুরমা, বরোদোয়ালি, আগরতলা এবং যুবরাজনগরে রয়েছে নির্বাচন। এর মধ্যে বরোদোয়ালি কেন্দ্র প্রার্থী হয়েছে মানিক সাহা। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই বিজেপি বনাম বাম হলেও আগের চেয়ে সমর্থন বেড়েছে বলে মনে করছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক।
একদিকে পাথর মারছে, একদিকে সিবিআই পাঠাচ্ছে। আরে কাঁচকলা। তোমার ক্ষমতা থাকলে কিছু করে দেখাও। ত্রিপুরায় দাঁড়িয়ে বিজেপির উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের সরবভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বাংলা ভাষা অধ্যুষিত রাজ্য ত্রিপুরার উপনির্বাচনে তাঁকে পাঠাচ্ছে না কংগ্রেস। বাংলা থেকে রাখা হয়েছে দীপা দাশমুন্সী এবং পূজা রায়চৌধুরীকে। যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবী, বাংলাতে একেবারে ফ্লপ অধীর। তাই তাঁকে ব্যবহার করছে না দল।