নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২৩ জুন ত্রিপুরার আগরতলা, টাউন বড়দোয়ালি, সুরমা এবং যুবরাজনগর এই চারটি বিধানসভার উপনির্বাচনে ভোট হয়েছে। ফলপ্রকাশের পর দেখা যায় বিজেপি ৩ টি এবং কংগ্রেস ১ টি আসনে জয়ী হয়েছে। ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। ত্রিপুরায় তৃণমূলের শোচনীয় পরাজয় নিয়ে এবার মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির গুন্ডামি, লুটপাটের কারণেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের হার বলে দাবি করলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ল্যাম্পপোস্টে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, কলকাতায় মৃত ১২ বছরের শিশু


রবিবার সন্ধ্যায় দিল্লি রওনা হওয়ার আগেই দমদম বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমের ত্রিপুরার ফলাফল সংক্রান্ত প্রশ্নের মুখোমুখি হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে অভিষেক বলেন, ‘‘গণতন্ত্রে গণদেবতাই আসল, মানুষ যা রায় দিয়েছে তা আমরা মাথা পেতে নেব।’’ তবে বিজেপির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও সরব হন ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ।

অভিষেকের অভিযোগ, ‘‘মানুষ যা রায় দিয়েছে তা আমরা মাথা পেতে নিয়েছি। কিন্তু ভোটের দিন গুন্ডামি, লুটপাট ও ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। আপনাদের ক্যামেরায় ভুয়ো ভোটার ধরা পড়েছে, বুথে এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি, প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন।’’



ত্রিপুরাকে পাখির চোখ করা ঘাসফুলের সব আসনেই জামানত জব্দ হয়েছে। চারটি আসন মিলিয়ে ৪২০৯টি ভোট পেয়েছে তৃণমূল। বড়দোয়ালি আসনে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী সংহিতা ভট্টাচার্য পেয়েছেন মাত্র ৯৮৬টি ভোট। আগরতলায় তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছে মাত্র ৮৪২টি ভোট। যুবরাজনগর কেন্দ্রে তৃণমূল পেয়েছে মাত্র ১,০৮০টি ভোট। সুরমা কেন্দ্রে তৃণমূল পেয়েছে ১,৩৪১টি ভোট।
লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না, ত্রিপুরার তৃণমূল কর্মীদের বার্তা অভিষেকের।

এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেছেন, ‘‘যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন বা দেননি তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে কাজ করতে আগামী দিনে বদ্ধপরিকর। যতদিন না ত্রিপুরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হচ্ছে ততদিন তৃণমূল একচুলও জমি ছাড়বে না। যে মানসিকতা নিয়ে লড়াই শুরু করেছিলাম সেই মানসিকতা নিয়েই আগামী দিনে আপনাদের স্বার্থে লড়ব।’’








